
গুয়াহাটি, ১০ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমে সহজতর হয়েছে শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া। দু-বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এখন থেকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরাও বদলির জন্য যে কোনও সময় আবেদন করতে পারবেন।
অসমে শিক্ষকদের সুবিধা বাড়িয়ে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার শিক্ষকদের পারস্পরিক বদলি (মিউচুয়াল ট্রান্সফার) প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের ঘোষণা করেছে।
স্কুল শিক্ষা বিভাগের কমিশনার-সচিব নারায়ণ কোঁওর স্বাক্ষরিত এসই-১১০১১(১৭)/১০/২০২৬ নম্বরের জারিকৃত নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী এখন নতুনভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরাও পারস্পরিক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি, কোনও শিক্ষক একবার বদলি হওয়ার পর পুনরায় আবেদন করতে দু-বছর অপেক্ষা করার যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তাও তুলে নেওয়া হয়েছে। জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বদলি শুধুমাত্র একই পদমর্যাদার শিক্ষকদের মধ্যে এবং নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতির মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পারস্পরিক বদলির ফলে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। একই পদমর্যাদার শিক্ষকদের মধ্যে বদলির সুযোগ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সহায়তাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
সরকার স্পষ্ট করেছে, অসম এলিমেন্টারি ও সেকেন্ডারি স্কুল টিচার্স (রেগুলেশন অ্যান্ড পোস্টিং) আইন, ২০২০ এবং এর সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশিকার অন্যান্য সব বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।
নতুন এই ব্যবস্থাগুলি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমগ্র শিক্ষা মিশনের মিশন ডিরেক্টর এবং অসমের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা-অধিকর্তাকে। তাঁরা অনলাইন শিক্ষক বদলি পোর্টালের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করবেন।
কমিশনার-সচিব নারায়ণ কোঁওর স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি তাৎক্ষণইকভাবে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকদের কর্মস্থল বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও নমনীয়তা আসবে এবং একই সঙ্গে রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে মানসম্মত শিক্ষা বজায় রাখার সরকারি লক্ষ্যও সমর্থিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস