(আপডেট) মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুরের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশি
আসানসোল, ১১ মার্চ (হি. স.) : কয়লা এবং বালি পাচার সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি তথা পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুরের অম্বুজা স্থিত ‍বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার সকাল সাতটা নাগাদ ইডি-র চারজন
ইডি-র তল্লাশি


আসানসোল, ১১ মার্চ (হি. স.) : কয়লা এবং বালি পাচার সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি তথা পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুরের অম্বুজা স্থিত ‍বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার সকাল সাতটা নাগাদ ইডি-র চারজন আধিকারিক দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের অম্বুজা এলাকায় মনোরঞ্জনের বাড়িতে পৌঁছান। তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁর বাড়ির দরজায় হাজিরা দেওয়ার সমন (নোটিস) সেঁটে দিয়েছেন।

তদন্তকারী সূত্রের খবর, কয়লা এবং বালি পাচারের সিন্ডিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এই পুলিশ আধিকারিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এমনকি তাঁর স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় দেড়শো কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য ইডি-র হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

আগামী ১৩ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে মনোরঞ্জন মণ্ডলকে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে ইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে ঢোকার সাথে সাথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন। বাড়ির ভেতরে কাউকে ঢোকা বা বাইরে বেরোনোর অনুমতি দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারিও ইডি আধিকারিকরা মনোরঞ্জনের বাড়িতে প্রায় ১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেদিনই জামুড়িয়ার দুই বালি ব্যবসায়ী কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। সেই নথির ভিত্তিতেই গত মাসে ওই দুই ব্যবসায়ীকে কলকাতায় তলব করা হয়েছিল এবং বর্তমানে তাঁরা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। এই মামলায় গত এক মাসে মনোরঞ্জনকে তিনবার তলব করা হলেও প্রতিবারই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande