গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবহণে ‘গ্রিন চ্যানেল’ চালুর প্রস্তাব
কলকাতা, ১১ মার্চ (হি. স.): রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে রাজ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগের আবহে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্নে আয়োজিত ওই বৈঠকের পর তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোম
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবহণে ‘গ্রিন চ্যানেল’ চালুর প্রস্তাব


কলকাতা, ১১ মার্চ (হি. স.): রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে রাজ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগের আবহে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্নে আয়োজিত ওই বৈঠকের পর তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, বর্তমানে সমস্যাটি মূলত রান্নার গ্যাসকে কেন্দ্র করেই— পেট্রোল বা ডিজেলের ক্ষেত্রে এখনও তেমন কোনো সঙ্কট তৈরি হয়নি।

​মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, আতঙ্কের জেরে গ্যাস বুকিংয়ের চাহিদা হঠাৎ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। সাধারণ সময়ে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ বুকিং হয়, সেখানে তা বর্তমানে প্রায় ৬ লক্ষে পৌঁছেছে। এর ফলে সার্ভারে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে তেল সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সার্ভার ঠিক করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি যাঁদের একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে এবং যাঁদের গ্যাস ফুরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন।

​এদিনের বৈঠকে মিড-ডে মিল, আইসিডিএস কেন্দ্র, হাসপাতাল, হস্টেল এবং সাধারণ গৃহস্থের গ্যাস সরবরাহ যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়। রাজ্যের হলদিয়া, কল্যাণী ও দুর্গাপুরে শোধিত গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা রাজ্যের বাইরে না পাঠানোর জন্য সংস্থাগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

​এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাজ্য জুড়ে গ্যাস পরিবহণে ‘গ্রিন চ্যানেল’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে প্রতিটি জেলায় গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সংস্থার তরফে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অসাধু মজুতদারি রুখতে কড়া বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোথাও বেআইনি মজুত ধরা পড়লে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

​তিনি আরও জানান, বিদেশ থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে রেশনিং পদ্ধতির মাধ্যমে বিতরণের ভাবনাচিন্তাও রয়েছে। একই সঙ্গে খোলা বাজারে কেরোসিন সহজলভ্য করা এবং রেশনে ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিনের পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক থাকার জন্য বিশেষভাবে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande