বক্সনগরে উঠানের মাটি খুঁড়ে ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক বাড়ির মালিক
বক্সনগর (ত্রিপুরা), ১১ মার্চ (হি.স.) : গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করল পুলিশ। সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর মহকুমার কাঁঠালিয়া পঞ্চায়েত এলাকার এক বাড়ির উঠানের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা প্রায় ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার
মাটির নিচে পুঁতে রাখা গাঁজা উদ্ধার


বক্সনগর (ত্রিপুরা), ১১ মার্চ (হি.স.) : গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করল পুলিশ। সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর মহকুমার কাঁঠালিয়া পঞ্চায়েত এলাকার এক বাড়ির উঠানের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা প্রায় ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে যাত্রাপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক মঞ্জিল হোসেন (৪২) কে আটক করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্ত মঞ্জিল হোসেন অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য মজুত করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে বলে অভিযোগ ছিল। এরই ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যাত্রাপুর থানায় গোপন সূত্রে নির্দিষ্ট খবর আসে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তড়িঘড়ি অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই অনুযায়ী রাত প্রায় আটটা নাগাদ যাত্রাপুর থানার একটি বিশেষ দল কাঁঠালিয়া পঞ্চায়েতের খাদ্যাখলা গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জিল হোসেনের বাড়িতে হানা দেয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সাব-ইন্সপেক্টর বিজয় চক্রবর্তী ও প্রসেনজিৎ দেবনাথ। তাঁদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনী ও টিএসআর জওয়ানরাও ছিলেন।

পুলিশ প্রথমে বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং পরে বাড়ির ভেতর ও আশপাশে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির এক পর্যায়ে বাড়ির উঠানের একটি স্থানে সন্দেহ হওয়ায় মাটি খুঁড়ে দেখা হয়। তখনই মাটির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়। পরে সেগুলোর ওজন করে দেখা যায় প্রায় ২৫ কেজি গাঁজা রয়েছে।

ঘটনার পর বাড়ির মালিক মঞ্জিল হোসেনকে আটক করে যাত্রাপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। যাত্রাপুর থানার ওসি জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। বুধবার তাকে সোনামুড়া আদালতে তোলা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এই মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের এই অভিযানের পর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অবৈধ মাদক কারবারের একটি বড় চক্রের পর্দাফাঁস হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande