মোহনপুরে মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি উন্নয়ন মিশনে ৬৫০ জনকে সুতা বিতরণ
মোহনপুর (ত্রিপুরা), ১১ মার্চ (হি.স.) : জনজাতি এলাকার উন্নয়ন ছাড়া সমগ্র রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ত্রিপুরার কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ। বুধবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মোহনপুর পুর পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে ত
মহিলাদের মধ্যে সুতা বিতরণ


মোহনপুর (ত্রিপুরা), ১১ মার্চ (হি.স.) : জনজাতি এলাকার উন্নয়ন ছাড়া সমগ্র রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ত্রিপুরার কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ। বুধবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মোহনপুর পুর পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি উন্নয়ন মিশনের আওতায় মোহনপুর ও লেফুঙ্গা ব্লকের ৬৫০ জন সুবিধাভোগীর হাতে সুতা তুলে দেওয়া হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জনজাতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। জনজাতি এলাকার বিদ্যালয়গুলিতে স্মার্ট ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে এবং ইংরেজি, বিজ্ঞান ও গণিতে দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ মাসের বিশেষ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে পারে।

তিনি জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জনজাতি এলাকায় ২৯টি নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ২২টি হোস্টেলের নির্মাণ কাজ চলছে এবং আরও ৪৭টি হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যের জন্য ২১টি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় মঞ্জুর হয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে বাকি বিদ্যালয়গুলিও চালু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জনজাতি এলাকায় খেলাধুলার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে তিনটি সিন্থেটিক ফুটবল মাঠ তৈরির কাজও চলছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, জনজাতি জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাছড়া, রিসা প্রভৃতি ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র তৈরির জন্য জনজাতি মহিলাদের প্রত্যেককে দেড় কেজি করে সুতা বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনজাতি শিক্ষার্থীদের উন্নত শিক্ষার জন্য নবোদয় ও একলব্য বিদ্যালয় সহ নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। শীঘ্রই সিমনার নতুনবাজার এলাকায় একটি একলব্য বিদ্যালয় চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মোহনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সজল দেবনাথ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লেফুঙ্গা বিএসি-র চেয়ারম্যান রনবীর দেববর্মা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রাকেশ দেব, মোহনপুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন অনিতা দেবনাথ, ভাইস চেয়ারপার্সন শংকর দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সদস্য জয়লাল দাস প্রমুখ।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande