কুম্ভের গঙ্গাজল ছিটিয়ে ও গীতা হাতে দিয়ে তৃণমূল বুথ সভাপতিকে দলে নিল বিজেপি
বাঁকুড়া, ১২ মার্চ (হি.স.): ভোটের মুখে চমক বিজেপির। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে। তাঁদের গায়ে পবিত্র গঙ্গাজল ছিটিয়ে ও হাতে গীতা তুলে দিয়ে দলে নিল বিজেপি। তাও আবার উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ থেকে আনা গঙ্গাজল। এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড
কুম্ভের গঙ্গাজল ছিটিয়ে ও গীতা হাতে দিয়ে তৃণমূল বুথ সভাপতিকে দলে নিল বিজেপি


বাঁকুড়া, ১২ মার্চ (হি.স.): ভোটের মুখে চমক বিজেপির। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে। তাঁদের গায়ে পবিত্র গঙ্গাজল ছিটিয়ে ও হাতে গীতা তুলে দিয়ে দলে নিল বিজেপি। তাও আবার উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ থেকে আনা গঙ্গাজল। এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার কালপাথর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশতোড়া গ্রামে।

বাঁকুড়া বিধানসভা এলাকার কুশতোড়া গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী এদিন বিজেপিতে যোগ দেন। দলে নেওয়ার আগে তাঁদের গায়ে কুম্ভ থেকে আনা গঙ্গার জল ছিটিয়ে ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। তাঁদের হাতে ধরানো হয় গীতা। এরপর তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিজেপির পতাকা।

যদিও তৃণমূলের দাবি, তাদের কোনও কর্মী দলবদল করেননি। তৃণমূলের বক্তব্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া বিধানসভার মানুষ ভোটবাক্সে বিজেপি বিধায়কের শুদ্ধিকরণ করবে।

বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা বলেন, গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁদের শুদ্ধিকরণ করে বিজেপি পরিবারে শামিল করা হয়েছে। আগামী দিনে তাঁরা উন্নয়নের পথে শামিল হতে চান। এদিকে এই দলবদল ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। দলবদলকারীরা কেউই তৃণমূলের কর্মী নন বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সদস্য মধুসূদন ডাঙর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের কোনও কর্মী তাঁদের দলে আছেন বলে জানা নেই; বিজেপি প্রতিবারই ভোটের আগে এই ধরনের যোগদানের একটি সাজানো নাটক করে।

উল্লেখ্য, এই কালপাথর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বরাবরই বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়ে থাকে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১ হাজার ৮১ ভোটে পিছিয়ে ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৫৯০ ভোটে এগিয়ে যায় এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৬৮৭ ভোটে এগিয়েছিল। গত বুধবার এই গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতি নন্দলাল শীট সহ শতাধিক কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন। নন্দলাল শীট জানান, কৃষিপ্রধান এই এলাকায় সেচের জন্য দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীরা একটি পুকুর খননের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, কিন্তু সেই দাবি পূরণ না হওয়াতেই এই দলবদল।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande