‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর যাত্রায় দিব্যাঙ্গরাও সমান অংশীদার: রাষ্ট্রপতি
নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ (হি.স.): দিব্যাঙ্গদের প্রতিভা, সাফল্য এবং আকাঙ্ক্ষাকে উদযাপন করতে শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনে ‘পার্পল ফেস্ট’ -এর আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য পূরণের পথে দেশ
রাষ্ট্রপতি


নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ (হি.স.): দিব্যাঙ্গদের প্রতিভা, সাফল্য এবং আকাঙ্ক্ষাকে উদযাপন করতে শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনে ‘পার্পল ফেস্ট’ -এর আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য পূরণের পথে দেশ এগিয়ে চলেছে এবং এই যাত্রায় দিব্যাঙ্গরাও সমান অংশীদার।

রাষ্ট্রপতি ভবন চত্বরে আয়োজিত এই উৎসবে দিনভর মেতে ছিলেন ৮ হাজারেরও বেশি দিব্যাঙ্গ মানুষ। তাঁদের জন্য বিশেষভাবে খুলে দেওয়া হয়েছিল ‘অমৃত উদ্যান’। বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে স্টল দেওয়া হয়েছিল, যেখানে খেলাধুলা, শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক নানা কার্যকলাপে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন দিব্যাঙ্গরা। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাষ্ট্রপতি ভবনের ওপেন এয়ার থিয়েটারে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন, যেখানে দিব্যাঙ্গ শিল্পীরা তাঁদের অনন্য প্রতিভা প্রদর্শন করেন।

নিজের ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, কোনও দেশ বা সমাজের পরিচয় কেবল তার অর্জিত সাফল্যের মাধ্যমে হয় না, বরং সমাজের বঞ্চিত শ্রেণির প্রতি সেই সমাজ কতটা সংবেদনশীল, তার মাধ্যমেই প্রকৃত পরিচয় ফুটে ওঠে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে সংবেদনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি এবং সামঞ্জস্যের ভাবনা সর্বদা অগ্রগণ্য থেকেছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় সংবিধান সামাজিক ন্যায়বিচার, সমতা এবং প্রত্যেক ব্যক্তির মর্যাদাকে গুরুত্ব দেয়। রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতির মাধ্যমে দিব্যাঙ্গদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং সরকারি সহায়তার অধিকারও প্রদান করা হয়েছে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের জন্য দিব্যাঙ্গদের ক্ষমতায়ন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি কেবল সরকারের একার চেষ্টায় সম্ভব নয়, বরং সমাজের প্রতিটি মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

দিব্যাঙ্গদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার ও সমাজ সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছে। তাঁদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম এবং একাগ্রতা কেবল তাঁদের উন্নতির পথই প্রশস্ত করবে না, বরং দেশের অন্যান্য নাগরিকদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক এই ‘পার্পল ফেস্ট’-এর আয়োজন করেছিল। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সমাজে দিব্যাঙ্গদের প্রতি সহমর্মিতা, গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিকরণকে উৎসাহিত করা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande