ডিমা হাসাও জেলায় ১২০ মেগাওয়াট কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্ৰীয় অৰ্থমন্ত্ৰী এবং মুখ্যমন্ত্ৰীকে ধন্যবাদ সিইএম দেবোলালের
হাফলং (অসম), ১৪ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের জনগণের জন্য শুক্রবার দিনটিছিল এক ঐতিহাসিক ও রূপান্তরমূলক দিন। কেননা গতকাল সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুয়াহাটি থেকে ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্মত লোয়ার কপিলি
লোয়ার কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পৰ্কে বলছেন সিইএম দেবোলাল গার্লোসা


হাফলং (অসম), ১৪ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের জনগণের জন্য শুক্রবার দিনটিছিল এক ঐতিহাসিক ও রূপান্তরমূলক দিন। কেননা গতকাল সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুয়াহাটি থেকে ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্মত লোয়ার কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসা।

দেবোলাল বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যাত্রায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ডিমা হাসাও জেলার উদ্যোগনগরী হিসেবে পরিচিত উমরাংসোর লংকু ১২০ মেগাওয়াট কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সহ ছিলেন পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য সামসিং ইংতি, এপিজিসিএল-এর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসা লোয়ার কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধনকে একটি যুগান্তকারী সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বলেন, কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এই অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করবে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি কেবল অসমের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে অবদান রাখবে না, আঞ্চলিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ডিমা হাসাওয়ের জনগণের আর্থ-সামাজিক সম্ভাবনাকে উন্নত করবে। ১

২০ মেগাওয়াট এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি রাজ্যের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদাকে পূরণ করার পাশাপাশি কপিলি নদীর অববাহিকার জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করে দেবোলাল বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা এবং অংশীদাররা এই প্রকল্পটিকে পাহাড়ি জেলায় আধুনিকীকরণ ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

দেবোলাল গার্লোসা এই প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, লোয়ার কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থাপন করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, লোয়ার কপিলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ডিমা হাসাও জেলার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন পথ খুলে দেবে এবং পাহাড়ি জেলার বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য সমৃদ্ধির এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande