
আগরতলা, ১৪ মার্চ (হি.স.) : বর্ষা মৌসুমের আগে রাজধানী আগরতলায় জল নিষ্কাশনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার কাটাখাল ও হাওড়া নদীর বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করলেন ত্রিপুরা সরকারের পূর্ত দফতরের সচিব কিরণ গীত্যে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডাঃ বিশাল কুমার, সদর মহকুমা শাসক, জলসম্পদ বিকাশ দফতরর, স্মার্ট সিটি প্রকল্প এবং আগরতলা পুর নিগমের আধিকারিকরা।
বর্ষার সময় শহরের জল নিষ্কাশনের প্রধান দুটি উৎস হল কাটাখাল ও হাওড়া নদী। সেই দুটি উৎসের বর্তমান অবস্থা এবং জল প্রবাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলটি। কাটাখালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরবর্তীতে জয়নগর এলাকায় হাওড়া নদীর অবস্থাও খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে পূর্ত সচিব কিরণ গীত্যে জানান, বর্ষাকালে শহরের জল নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে হাওড়া নদী ও কাটাখাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই দুটি উৎস দিয়ে কীভাবে শহরের জল বেরিয়ে যাচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করতেই এই পরিদর্শন করা হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে কাটাখালের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রয়েছে। যেখানে যেখানে জল প্রবাহে বাধা রয়েছে, সেখানে আগরতলা পুর নিগম, স্মার্ট সিটি প্রকল্প ও জলসম্পদ বিকাশ দফতর যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।
পরিদর্শনের সময় হাওড়া নদীর জল নিষ্কাশįন ব্যবস্থাও সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। পূর্ত সচিব জানান, রাজ্য সরকার বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। জল নিষ্কাশনের এই দুটি উৎস স্বাভাবিক থাকলে বর্ষাকালে শহরে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, বৃষ্টির জল দ্রুত সরাতে আগরতলা পুর নিগমের পাম্পগুলিও কার্যকরভাবে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে রাজধানীর কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে জল জমে যায়, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দেয়। তবে পুর নিগমের পাম্প সক্রিয় থাকায় প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ