পিএনজি সংযোগ থাকলে ভর্তুকিযুক্ত এলপিজি সিলিন্ডার রাখা যাবে না
নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ (হি.স.) : পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক সংঘাতের আবহে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) সংযোগ থাকা পরিবারগুলির জন্য ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার রাখা বা নতুন করে নেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র
পিএনজি সংযোগ থাকলে ভর্তুকিযুক্ত এলপিজি সিলিন্ডার রাখা যাবে না


নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ (হি.স.) : পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক সংঘাতের আবহে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) সংযোগ থাকা পরিবারগুলির জন্য ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার রাখা বা নতুন করে নেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র সরকার।

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার (১৪ মার্চ ) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জরুরি পণ্য আইন অনুযায়ী তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ন্ত্রণ) আদেশ, ২০০০–এ সংশোধন করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব গ্রাহকের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তাদের গৃহস্থালির এলপিজি সংযোগ ছাড়তে হবে।

সার্বজনিক খাতের তেল সংস্থাগুলি জানিয়েছে, সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী পিএনজি সংযোগ থাকা গ্রাহকদের আর ফাঁকা সিলিন্ডারের বদলে ভর্তি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে না। মূল উদ্দেশ্য হল যেসব বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা নেই, তাদের জন্য এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

এদিকে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা শহর গ্যাস বণ্টনকারী সংস্থাগুলিকে দ্রুত পিএনজি পরিকাঠামো সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রক বোর্ড (পিএনজিআরবি) ইতিমধ্যে সংস্থাগুলিকে গৃহস্থালিতে পিএনজি সংযোগ দেওয়ার কাজ ত্বরান্বিত করতে এবং যেখানে পাইপলাইন ইতিমধ্যে বসানো হয়েছে সেখানে গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিতে বলেছে।

ভারত তার প্রায় ৮৮ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ৫০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস এবং প্রায় ৬০ শতাংশ এলপিজির চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর মার্কিন–ইসরায়েল হামলা এবং তার পাল্টা ইরানের পদক্ষেপের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেলের অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৩০ শতাংশ গ্যাস এবং ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ এলপিজি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আমদানি করা হত।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande