বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলের 'দশটি প্রতিজ্ঞা' সম্বলিত ইস্তেহার প্রকাশ
​কলকাতা, ২০ মার্চ (হি. স.) : আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতর থেকে দলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করা হল। এদিন বিকেলে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্তেহারের ''দশটি প্রতিজ্ঞা'' ঘোষণা
কালিঘাটে দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে


​কলকাতা, ২০ মার্চ (হি. স.) : আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতর থেকে দলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করা হল। এদিন বিকেলে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্তেহারের 'দশটি প্রতিজ্ঞা' ঘোষণা করেন। ইস্তেহার প্রকাশের সময় মঞ্চে নেত্রীর ডানদিকে উপস্থিত ছিলেন অমিত মিত্র ও সুব্রত বক্সী এবং বামদিকে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিম। মোট ছয়টি ভাষায় এই ইস্তেহারটি প্রকাশ করা হয়েছে।

​তৃণমূলের দশটি প্রধান অঙ্গীকার :

​১. স্বনির্ভরতার প্রশ্নে – লক্ষ্মীর ভাণ্ডার : মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতা বজায় রাখা।

২. যুবদের পাশে – জীবিকার আশ্বাসে – যুবসাথী: তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও পেশাদারিত্বে গুরুত্ব প্রদান।

৩. বাজেটে কৃষি, কৃষকের হাসি: কৃষি ক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও কৃষকদের কল্যাণ সুনিশ্চিত করা।

৪. নিশ্চিত বাসস্থান, চিন্তার অবসান: রাজ্যের প্রতিটি মানুষের জন্য পাকা ছাদের ব্যবস্থা করা।

৫. ঘরে ঘরে জল, পরিস্রুত পানীয় জল: প্রতিটি পরিবারে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া।

৬. সুস্বাস্থ্যের অধিকার, বাংলার সবার: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং 'দুয়ারে স্বাস্থ্য' কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

৭. শিক্ষাই সম্পদ, ভবিষ্যৎ নিরাপদ: শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা।

৮. পূর্বের বাণিজ্যের কাণ্ডারী, বাংলা দিশারী: এমএসএমই সহ শিল্প ও বাণিজ্যে বাংলাকে দেশের এক নম্বরে নিয়ে যাওয়া।

৯. প্রবীণদের পাশে, যত্নের আশ্বাসে: প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও বিশেষ যত্নের অঙ্গীকার।

১০. প্রশাসনিক সুবিধার নতুন দিগন্ত: প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে রাজ্যে একাধিক নতুন জেলা গড়ে তোলা।

​ইস্তেহার প্রকাশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি অভিযোগ করেন যে, পরিকল্পিতভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং উত্তর দিনাজপুরে এই সমস্যা চরমে পৌঁছেছে বলে তাঁর দাবি। এছাড়াও রাজবংশী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এদিন 'সাপ্লিমেন্টারি তালিকা' প্রকাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande