মণিপুরের উখরুল–কাংপোকপি সীমান্ত গ্রামে গুলিবর্ষণ, গুরুতর আহত মহিলা সহ দুই নাগরিক
ইমফল, ২১ মাৰ্চ (হি.স.) : মণিপুরের উখরুল–কাংপোকপি সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি গুলিচালনার ঘটনায় দুজন সাধারণ নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ইহাং-বুংপি ওয়ার্কিং কমিটি এবং কুকি সিএসও ওয়ার্কিং কমিটি (উখরুল) এক বিবৃতি জারি করে অভিযোগ তুলেছে, আজ (শনিবার)
মণিপুরে গুলিবর্ষণ (ফাইল ফটো)


ইমফল, ২১ মাৰ্চ (হি.স.) : মণিপুরের উখরুল–কাংপোকপি সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক দুটি গুলিচালনার ঘটনায় দুজন সাধারণ নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

ইহাং-বুংপি ওয়ার্কিং কমিটি এবং কুকি সিএসও ওয়ার্কিং কমিটি (উখরুল) এক বিবৃতি জারি করে অভিযোগ তুলেছে, আজ (শনিবার) সকালে দু-দুবার সন্দেহভাজন তাংখুল জঙ্গিরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। প্রথম ঘটনাটি ভোরের দিকে শাংখাই গ্রামে এবং পরবর্তীটি গুলি চালানো হয়েছে লেপলেন–টিংপিবুং সড়কে।

সবচেয়ে গুরুতর ঘটনাটি সকাল প্রায় ৯টা ৩০ মিনিটে ঘটেছে। সে সময়, টিংপিবুং থেকে লেপলেনগামী একটি অটো-রিকশা সানাকেইথেল দিক থেকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলির মুখে পড়ে। চলন্ত অবস্থায় গাড়িটি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। তাঁর কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এর আগে ভোর প্রায় ৫টা ১৫ মিনিটে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা শাংখাই গ্রামের দিকে ৩ থেকে ৪ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ওই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইহাং-বুংপি ওয়ার্কিং কমিটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের ঘটনাটিকে নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর পরিকল্পিত হামলা বলে বর্ণনা করেছে।

অন্যদিকে, কুকি সিএসও ওয়ার্কিং কমিটি (উখরুল) ঘটনাগুলির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, এই ঘটনা এমন সময় ঘটেছে যখন থেংখিং বাইতে এবং থাংবোইমাং লুংকিমের মৃত্যুর শোক কাটেনি। কমিটি বলেছে, প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা ২০ মার্চ বনধ প্রত্যাহার করে সহযোগিতা করেছিল।

তারা দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande