আগরতলায় চৈত্র সেলের টোকেন ঘিরে ভিড়, গুজবে বিভ্রান্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা
আগরতলা, ২৩ মার্চ (হি.স.) : চৈত্র সেলের দোকান ভিটির টোকেন সংগ্রহ করতে দু’দিন আগেই আগরতলা পুর নিগম কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমালেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। রবিবার দুপুর থেকেই শুরু হওয়া এই ভিড় গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে পরিণত হয়। ঠান্ডা ও বৃষ্টিকে উপেক
টোকেন সংগ্রহ করতে ভিড়


আগরতলা, ২৩ মার্চ (হি.স.) : চৈত্র সেলের দোকান ভিটির টোকেন সংগ্রহ করতে দু’দিন আগেই আগরতলা পুর নিগম কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমালেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। রবিবার দুপুর থেকেই শুরু হওয়া এই ভিড় গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে পরিণত হয়। ঠান্ডা ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বহু ব্যবসায়ী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও আগামী ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানী আগরতলায় চৈত্র মেলা বা রিডাকশন সেলের আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলার আয়োজনে দায়িত্বে রয়েছে আগরতলা পুর নিগম। নিগম কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৪ মার্চ থেকে আগ্রহী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দোকান ভিটির টোকেন বিতরণ করা হবে এবং এ বিষয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনও প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে এরই মধ্যে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, ২৩ মার্চ থেকেই টোকেন দেওয়া হবে। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন বহু ব্যবসায়ী। গুজবে কান দিয়েই রবিবার দুপুর থেকে পুর নিগম কার্যালয়ের সামনে লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন তাঁরা।

রবিবার গভীর রাতেও দেখা যায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকেই মাদুর পেতে বিশ্রাম নিচ্ছেন, কেউ বা গল্প করে সময় কাটাচ্ছেন। এক মহিলা ব্যবসায়ী জানান, তিনি প্রতিবছরই চৈত্র মেলায় অংশ নেন এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য এই মেলার উপর নির্ভরশীল। তাই এবারও আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন এবং টোকেন না পেয়ে ফিরবেন না বলেও জানান তিনি।

শুধু আগরতলা শহর বা শহরতলী থেকেই নয়, বিশালগড়, বিশ্রামগঞ্জ, মোহনপুর, তেলিয়ামুড়া এমনকি আমবাসা থেকেও বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এখানে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। সূত্রের খবর, কিছু ব্যক্তি টোকেন সংগ্রহ করে তা বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যেও লাইনে দাঁড়িয়েছেন। জানা গেছে, এক একটি ভিটির টোকেনের দাম ১০ হাজার টাকারও বেশি পর্যন্ত উঠতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande