আগরতলায় মহারাজগঞ্জ বাজারে যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার
আগরতলা, ২৪ মার্চ (হি.স.): রাজধানী আগরতলায় মহারাজগঞ্জ বাজার এলাকায় যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লালমাটিয়া বাজার শেড থেকে ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম কৃষ্ণ ভট্টাচা
মৃতদেহ উদ্ধার


আগরতলা, ২৪ মার্চ (হি.স.): রাজধানী আগরতলায় মহারাজগঞ্জ বাজার এলাকায় যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লালমাটিয়া বাজার শেড থেকে ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম কৃষ্ণ ভট্টাচার্য (উরফে চন্দন), বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।

জানা গেছে, কৃষ্ণ ভট্টাচার্যের বাড়ি পশ্চিম প্রতাপগড় এলাকায় হলেও গত প্রায় এক বছর ধরে তিনি লালমাটিয়া এলাকায় বসবাস করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং প্রায়শই ওই এলাকায়ই সময় কাটাতেন।

মঙ্গলবার সকালে লালমাটিয়া বাজার শেডের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের মতো দোকান খুলতে এসে শেডের ভেতরে কৃষ্ণ ভট্টাচার্যের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে ডগ স্কোয়াডও পৌঁছায় এবং তদন্ত শুরু হয়।

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, রাতের কোনও এক সময়ে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে তাঁদের অনুমান। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই লালমাটিয়া বাজার এলাকায় রাতের অন্ধকারে নেশাজাতীয় দ্রব্যের অবাধ কারবার চলে আসছে। এর জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বাজার এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মামলা রুজু করা হলেও খুনের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহারাজগঞ্জ বাজার এলাকায় রাতের বেলায় নেশার রমরমা কারবারের অভিযোগ নতুন নয়। ফলে এই মৃত্যুর সঙ্গে কোনও নেশা চক্রের যোগ রয়েছে কিনা, তা নিয়েও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহারাজগঞ্জ বাজারসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande