
হাফলং (অসম), ২৭ মাৰ্চ (হি.স.) : বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরিকাঠামো থেকে সৰ্বস্তরে উন্নয়ন এবং পাহাড়ি অঞ্চলের সামগ্ৰিক অগ্ৰগতি হবে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার। মাহুরে এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দিতে এ কথা বলেছেন ১১৩ নম্বর জনজাতি সংরক্ষিত হাফলং বিধানসভা আসনে বিজেপি-প্রার্থী রূপালি লাংথাসা।
কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে রূপালি বলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদী, অসমের মুখ্যমন্ত্ৰী ড. হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা এবং উত্তর কাছাড় পাৰ্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কাৰ্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গাৰ্লোসার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পাহাড়ি জেলার সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে ও হচ্ছে। মহিলা সবলীকরণের ক্ষেত্রেও ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার।
রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে শিক্ষা এবং ক্ৰীড়া ক্ষেত্ৰে অনেক এগিয়ে গেছে ডিমা হাসাও জেলা। তিনি বলেন, এডিআরই, আসাম পুলিশের কমান্ডো বাহিনী এবং এপিএসসি-র অধীনে মেধার ভিত্তিতে বহু যুবক-যুবতী স্বচ্ছভাবে নিযুক্তি পেয়েছে। তাই, ডিমা হাসাও জেলার সার্বিক বিকাশের স্বার্থে পদ্মফুল চিহ্নে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান রূপালি লাংথাসা।
প্ৰসঙ্গত, রাজ্য বিধানসভা নিৰ্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই ডিমা হাসাও জেলার ১১৩ নম্বর জনজাতি সংরক্ষিত হাফলং বিধানসভা আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাফলং আসনে ভারতীয় জনতা পাৰ্টির প্ৰাৰ্থী হিসেবে প্ৰথমবারের মতো নিৰ্বাচনী ময়দানে প্ৰবেশ করেছেন রূপালি লাংথাসা। নতুন মুখ হওয়ার পরও ইতিমধ্যে জেলার বহু ভোটারের কাছ থেকে সমৰ্থন লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তাঁর প্ৰচারের কৌশল ভোটাদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্ৰহের সৃষ্টি করেছে।
এক সমীক্ষা অনুসারে, ডিমা হাসাও জেলার বহুসংখ্যক ভোটার রূপালি লাংথাসার প্ৰতি ইতিবাচক মনোভাব প্ৰকাশ করছেন। বিশেষ করে, যুব-ভোটাদের মধ্যে যুবনেত্রীর গ্ৰহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও সমীক্ষায় বলা হয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব