ভিএইচপি-র সাংসদ সম্পর্ক অভিযান : ১৯ দিনে ৩৭৫ জনেরও বেশি সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তিনটি প্রধান বিষয়ে আলোচনা
নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ (হি.স.): বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) সংসদের বাজেট অধিবেশন চলাকালীন তাদের ১৯ দিনের বিশেষ ''সাংসদ সম্পর্ক অভিযান''-এ ৩৭৫ জনেরও বেশি সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনটি প্রধান বিষয়ে আলোচনা করেছে। সংগঠনটি এই অভিযানকে দেশব্যাপী সংলা
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ


নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ (হি.স.): বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) সংসদের বাজেট অধিবেশন চলাকালীন তাদের ১৯ দিনের বিশেষ 'সাংসদ সম্পর্ক অভিযান'-এ ৩৭৫ জনেরও বেশি সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনটি প্রধান বিষয়ে আলোচনা করেছে। সংগঠনটি এই অভিযানকে দেশব্যাপী সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ভিএইচপি-র কেন্দ্রীয় মহাসচিব বজরং লাল বাগড়া শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান যে, এই অভিযানে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত, ভাষা ও মতাদর্শের প্রায় ১৭০ জন কর্মী অংশ নিয়েছিলেন। এই কর্মীরা সাংসদদের সঙ্গে কার্যকর জনসংখ্যা নীতি, তীর্থক্ষেত্রের উন্নয়ন এবং সংবিধানের ২৯ ও ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদের বিধানগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে ভিএইচপি-র রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র অম্বরীশও উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় মহাসচিব জানান যে, ভিএইচপি দাবি তুলেছে যে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতার ওপর জাতীয় স্তরে ব্যাপক চিন্তাভাবনা করে একটি কার্যকর নীতি তৈরি করা হোক। এছাড়াও, হিন্দু মন্দিরগুলিকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করা, তীর্থক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ তৈরি করা এবং মন্দির থেকে প্রাপ্ত আয় হিন্দু সমাজের স্বার্থে ব্যবহার করার মতো বিষয়গুলিও উত্থাপন করা হয়েছে।

এই অভিযানটি তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে। ৯ থেকে ১৩ মার্চের প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রের কর্মীরা ১৩৯ জন সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ১৪ থেকে ১৯ মার্চের দ্বিতীয় পর্যায়ে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ১০৩ জন সাংসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। অন্যদিকে, ২০ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলা শেষ পর্যায়ে উত্তর ও মধ্য ভারতের ১৩৩ জন সাংসদের সঙ্গে সংলাপ হয়। ভিএইচপি সংবিধানের ২৯ ও ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সংখ্যালঘুদের দেওয়া বিশেষ অধিকারগুলি সমস্ত নাগরিকদের জন্য সমানভাবে কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই কর্মসূচিতে সমস্ত দলের সাংসদদের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। অধিকাংশ সাংসদ অনুরোধ গ্রহণ করেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত সার্থক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande