সোলার সেচ মেশিন বিকল, চরম সঙ্কটে কাঁঠালিয়ার কৃষকরা
বক্সনগর (ত্রিপুরা), ২৮ মার্চ (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার কাঁঠালিয়া ব্লকের নির্ভয়পুর পঞ্চায়েত এলাকার লালটিলার পশ্চিমে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে চরম সঙ্কটের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। একটি চার হর্সপাওয়ারের সোলার সেচ মেশিন বিকল
চাষাবাদে সমস্যা


বক্সনগর (ত্রিপুরা), ২৮ মার্চ (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার কাঁঠালিয়া ব্লকের নির্ভয়পুর পঞ্চায়েত এলাকার লালটিলার পশ্চিমে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে চরম সঙ্কটের মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। একটি চার হর্সপাওয়ারের সোলার সেচ মেশিন বিকল হয়ে যাওয়ায় গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে জমিতে সেচের জল সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে প্রায় পাঁচ কানি জমিতে চাষ করা বিভিন্ন সবজি ফসল শুকিয়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল বারেক ও সিদ্দিক মিয়া জানান, বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে তাঁরা নানা প্রজাতির সবজি চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই সেচ ব্যবস্থার এই ভাঙন তাঁদের সামনে গভীর সংকট তৈরি করেছে। বর্তমানে মাঠের মাটি ফেটে যাচ্ছে, গাছপালা শুকিয়ে যাচ্ছে—এমন অবস্থায় তাঁদের দিন কাটছে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।

কৃষকদের অভিযোগ, সোলার সেচ মেশিনটি বিকল হওয়ার পর বিষয়টি বারবার গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এতে চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ক্রমশ বাড়ছে।

উল্লেখ্য, নারায়ণ দে-র কৃষিজমিতে স্থাপিত এই সোলার সেচ মেশিনের ওপর নির্ভর করেই আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় সেচের জল সরবরাহ করা হত। সেই ভরসাতেই কৃষকরা চলতি মরসুমে চাষাবাদ শুরু করেছিলেন। কিন্তু মেশিন বিকল হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তাঁরা বিপাকে পড়েছেন।

এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টির দেখা না মেলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বিকল্প সেচ ব্যবস্থার অভাবে ফসল রক্ষা করা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আব্দুল বারেকের প্রায় চার কানি জমি এবং সিদ্দিক মিয়ার জমির ফসল এখন ধ্বংসের মুখে।

এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের একটাই দাবি—অবিলম্বে সোলার সেচ মেশিনটি মেরামত করে সেচের জলের ব্যবস্থা করা হোক। তাঁদের কষ্টার্জিত ফসল বাঁচাতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে তাঁরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande