
মৌসুমী সেনগুপ্ত
কলকাতা, ৫ মার্চ (হি.স.) : এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক মৃত্যুর কারণ হিসাবে দায়ী করা হচ্ছে এসআইআর-কে। রাজনৈতিক ঢক্কানিনাদে ‘কেন্দ্রের চক্রান্ত’ সইতে না পেরে কেবল পশ্চিমবঙ্গে ‘আত্মহত্যা করছে’ নানা বয়সের নারী-পুরুষ। বৃহস্পতিবার ফের তিনি বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্গ করলেন সামাজিক মাধ্যমে।
তিনি লিখেছেন, “চাকরি যাওয়া নয়, দুরারোগ্য অসুখ নয়, প্রিয়জনের অকালমৃত্যু নয়, প্রেমে প্রত্যাখ্যান নয়, ধর্মীয় উন্মাদনা নয়। শুধু ভোটার লিস্টে নাম ওঠেনি বলে আত্মহত্যা করেছেন, এমন ঘটনা কস্মিন কালে কেউ কখনো শুনেছে ? জলপাইগুড়ির গৌরাঙ্গ দে, ঘোলা নোয়াপাড়ার রফিক আলী গাজী, অথবা প্রিয়াঙ্কা চট্টোপাধ্যায়, আনন্দবাজারের খবর অনুযায়ী ! এগুলো আত্মহত্যা নয়, ভোটার লিস্টের সঙ্গে সম্পর্কহীন আকস্মিক মৃত্যু, অথবা হত্যা।”
প্রতিক্রিয়ায় বিশিষ্ট শিল্পী সন্দীপ চ্যাটার্জি লিখেছেন, “আমার ৮৩ বছর বয়েস, আমার স্ত্রীর ৭৫। আমার পূর্ববর্তী ছ’পুরুষ কলকাতার বাসিন্দা। আমার নাম ভোটার তালিকায় ছিল না। আমি বা আমার স্ত্রী আত্মহত্যা করিনি। আমাদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল, তাও আত্মহত্যা করিনি। শুনানির পর অবশ্য আমাদের নাম ভোটার তালিকায় সংযোজন করা হয়।
আমি কিন্তু অনেক খবর পেয়েছি যে ভোটার তালিকায় নাম নেই বা ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে প্রচুর লোক আত্মহত্যা করেছে। এটা অসম্ভব ও অবাস্তব এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা।”
প্রতিক্রিয়ায় সন্দীপ দে লিখেছেন, “খলের ছলের অভাব নেই।” পার্থ নন্দী লিখেছেন, “
একদম! যত ফালতু খবর! নিশ্চয় অন্য কারণ আছে!” টিটো বিশ্বাস লিখেছেন, “এই সব ন্যাকামি করা ছাড়া আর কিছু নয় তৃনমূলের বালফ্রন্টের।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত