যাত্রাপুরে নাবালিকার বিয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন
বক্সনগর (ত্রিপুরা), ৫ মার্চ (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত কে.কে. নগর এলাকায় নাবালিকার বিয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুলিশ এবং চাইল্ড
নাবালিকার বিয়ে নিয়ে তদন্ত


বক্সনগর (ত্রিপুরা), ৫ মার্চ (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত কে.কে. নগর এলাকায় নাবালিকার বিয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুলিশ এবং চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে—এমন একটি অভিযোগ চাইল্ড লাইনের কাছে পৌঁছে। অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্তের উদ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট দফতর। পাশাপাশি খবর পেয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে যাত্রাপুর থানার পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে থানার এসআই প্রসেনজিৎ দেবনাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত কে.কে. নগর এলাকায় পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, বর্তমানে ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার কোনও প্রস্তুতি চলছে না। তবে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়, মেয়েটির বিয়ে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন নাবালিকার সঙ্গে কথা বলার সময় তাকে কিছুটা আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরিবার বা আশপাশের মানুষের চাপের আশঙ্কায় মেয়েটি প্রথমে বিষয়টি খোলাখুলি বলতে দ্বিধা বোধ করছিল বলেও পুলিশ সূত্রে খবর। পরে পুলিশ মেয়েটির বয়স ও পরিচয় সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু করে।

অন্যদিকে, চাইল্ড লাইনের জনৈক আধিকারিক জানান, নাবালিকা সংক্রান্ত যেকোনও অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয় এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেন।

বর্তমানে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এবং চাইল্ড লাইন যৌথভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande