
মুর্শিদাবাদ, ১ এপ্রিল (হি.স.): ফের দুর্যোগের কবলে পড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টার। বুধবার বড়ঞা থেকে সড়কপথে গেলেন নবগ্রামে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান মুখ্যমন্ত্রী। অণ্ডাল থেকে কলকাতায় ফেরার পথে মাঝ-আকাশে প্রবল ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে তাঁর বিমান। দুর্যোগের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার আকাশে চক্কর কাটতে বাধ্য হয় তাঁর বিমানটি।
জানা গিয়েছে, বুধবার মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় সভা করার পর কপ্টারে ওই জেলারই নবগ্রামে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রবল ঝড়ের কারণে কপ্টার নবগ্রামের সভাস্থলে অবতরণ করতে পারেনি। কপ্টারের চালক ঝুঁকি না-নিয়ে কপ্টারটিকে বড়ঞাতেই ফিরিয়ে আনেন। বড়ঞা থেকে সড়কপথেই নবগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বুধবারও তিনটি জনসভা ছিল তৃণমূলনেত্রীর। প্রথমটি নানুরে। দ্বিতীয়টি বড়ঞা। তৃতীয়টি জঙ্গিপুরে। নানুরের সভা থেকে মমতা বলেন, ‘‘লড়াই করতে হলে সামনাসামনি করো, লুকিয়ে লুকিয়ে করছ কেন? তৃণমূলকে বলছে চোর! এখানে অনেক বিজেপি নেতা রয়েছেন, বিজেপির দল থেকেই তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি করা হয়েছে। তার কাগজপত্র তো আমার কাছেও আছে। তৃণমূল চোর নয়। বিজেপি সব লুট করেছে।’’
মমতা বলেন, ‘‘বিহারে ভোটের আগে চুপি চুপি অ্যাকাউন্টে আট হাজার টাকা ঢোকাল। এখানেও শুনছি গরিব মানুষদের কাছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চাইছে। খবরদার দেবেন না। যা আছে সেটাও নিয়ে নেবে। টাকা ঢোকানোর নাম করে কেটে নেবে। বিজেপি-কে একেবারে বেলাইন করে দিন। বাংলা ভাষায় কথা বললেই অনুপ্রবেশকারী? অনুপ্রেবেশ কোথাও হয়ে থাকলে তার দায় নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহের। বিপদে পড়লে পাশের দেশ আশ্রয় দেয়। আপনারা কত জনকে ঢুকিয়েছেন, আমরা জানি। আমি এ নিয়ে চিঠিও দিয়েছি।’’
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত