
কলকাতা, ১২ এপ্রিল ( হি. স.) : সুরের মায়া কাটিয়ে চিরনিদ্রায় কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। লতা মঙ্গেশকরের পর তাঁর বোন আশার এই চলে যাওয়া যেন ভারতীয় সঙ্গীত ইতিহাসের একটি স্বর্ণযুগের সমাপ্তি। রবিবার মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯২ বছর বয়সী এই শিল্পী। এই শোক সংবাদে ভেঙে পড়েছেন বাংলার প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী হৈমন্তী শুক্ল।
আশা ভোঁসলের প্রয়াণে নিজের শোকবার্তা জানাতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হৈমন্তী শুক্ল। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ভাবতেই পারছি না আশাদি আর নেই। এই তো সেদিন বিদেশ থেকে অনুষ্ঠান করে এলেন। জানি বয়সটা বড় ফ্যাক্টর, তবুও... লতাদির চলে যাওয়ার পর আশাদিই ছিলেন আমাদের সবার মাথার ওপর একটা বড় ভরসা। আজ মনে হচ্ছে মাথা থেকে ছাতাটা সরে গেল।
১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পী ২০টিরও বেশি ভাষায় গান গেয়েছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে শুরু করে দাদাসাহেব ফালকে এবং পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। হিন্দি চলচ্চিত্রে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’ থেকে শুরু করে বাংলা গানে ‘আজ এই দিনটাকে’ কিংবা ‘মনে পড়ে রুবি রায়’—তাঁর কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে
বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন গায়িকা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার তাঁকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সেখানেই তাঁর প্রয়াণ হয়। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি