কাছাড়ে প্রবল কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বিস্তর ক্ষয়ক্ষতি, ব্যাহত স্বাভাবিক জীবন, ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান প্রশাসনের
শিলচর (অসম), ১২ এপ্রিল (হি.স.) : দক্ষিণ অসমের কাছাড় জেলায় আজ রবিবার দুপুরের দিকে আচমকা কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিভিন্ন এলাকায় বহু বসতবাড়ি ও পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন। তবে এ খবর লেখা পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর
কাছাড়ে প্রবল কালবৈশাখীর তাণ্ডব (চিত্র ১)


কাছাড়ে প্রবল কালবৈশাখীর তাণ্ডব (চিত্র ২)


শিলচর (অসম), ১২ এপ্রিল (হি.স.) : দক্ষিণ অসমের কাছাড় জেলায় আজ রবিবার দুপুরের দিকে আচমকা কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিভিন্ন এলাকায় বহু বসতবাড়ি ও পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন। তবে এ খবর লেখা পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্ৰশাসনের আধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যথেষ্ট বেশি, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে।

আজ সকালের দিকে ছিল সুন্দর দিন, ঝলমলে রোদ। কিন্তু দুপুরের দিকে আচমকা ধেয়ে আসে বিধ্বংসী কালবৈশাখী ঝড়। ঝড়-তুফানে তছনছ হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শতাধিক বাড়িঘর। ঝড়-ঝঞ্ঝায় একাধিক স্থানে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে। যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়া এবং বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দয়াপুর, আরকাটিপুর, কাশিপুর, বাঁশকান্দি, বেরেঙ্গা, সোনাই, কাটিগড়া, ধলাই এবং বড়খলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের। ঘূর্ণিঝড়ে আরকাটিপুর চা বাগান ম্যানেজারের বাংলোর বহু পুরনো বিশাল বিশাল গাছ ভেঙে পড়েছে। ঝড়ের তীব্রতায় বহু বাড়ি ও দোকানের ছাউনি উড়ে যায়, আর বহু গাছ ভেঙে পড়ায় বহু আবাসিক বাড়ি ও বাগানের ক্ষতি হয়। রাস্তা অবরুদ্ধ এবং বিদ্যুৎ না থাকায় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজে মোতায়েন করেছে এসডিআরএফ, ডিডিআরএফ প্রভৃতি বিভাগের কর্মী। তাঁরা পতিত গাছগাছালি সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মেরামত করে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কাজ শুরু হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande