তিন সপ্তাহের বেশি গলা ভাঙা থাকলে অবহেলা করবেন না, ‘বিশ্ব কণ্ঠস্বর দিবস’-এর আগে সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের
​কলকাতা, ১৫ এপ্রিল (হি. স.): ১৬ এপ্রিল ‘বিশ্ব কণ্ঠস্বর দিবস’ । এই বিশেষ দিনটির প্রাক্কালে কণ্ঠস্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং কণ্ঠজনিত বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করলেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট
কলকাতা শহরে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা


​কলকাতা, ১৫ এপ্রিল (হি. স.): ১৬ এপ্রিল ‘বিশ্ব কণ্ঠস্বর দিবস’ । এই বিশেষ দিনটির প্রাক্কালে কণ্ঠস্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং কণ্ঠজনিত বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করলেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ইএনটি ও হেড-নেক সার্জন ডা. শান্তনু পাঁজা কণ্ঠস্বরের যত্ন নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন।​ডা. পাঁজা জানান, আধুনিক জীবনযাত্রায় কণ্ঠস্বরের ব্যবহার ও নির্ভরতা বাড়ার ফলে এই সংক্রান্ত সমস্যাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষক, আইনজীবী, গায়ক এবং কর্পোরেট পেশাজীবীদের মধ্যে কণ্ঠনালীর সমস্যার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি টানা তিন থেকে চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কারও কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন বা গলার স্বর কর্কশ হয়ে থাকে, তবে তা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। দেরিতে চিকিৎসা শুরু করলে হিতে বিপরীত হতে পারে এবং জটিলতা বাড়তে পারে।”​ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেক বেশি থাকলেও আশার কথা শুনিয়েছেন চিকিৎসক। তাঁর মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে ভোকাল কর্ডের ক্যান্সার ধরা পড়লে লেজার বা আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব।​কণ্ঠস্বর ভালো রাখতে ডা. পাঁজা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, নিয়মিত পর্যাপ্ত জলপান করা, প্রয়োজনে স্টিম ইনহেলেশন নেওয়া, ধূমপান বর্জন এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। পাশাপাশি টানা অনেকক্ষণ চড়া স্বরে কথা বলে কণ্ঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতাই সুস্থ কণ্ঠস্বরের চাবিকাঠি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande