এলপিজি : মজুত ও বিতরণে অনিয়ম, অসমে গ্রেফতার তিন, বাতিল ছয় ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স
গুয়াহাটি, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : ‘লিকুইফাইড পেট্ৰোলিয়াম গ্যাস’ (এলপিজি) সিলিন্ডার মজুত, বিতরণে অনিয়ম এবং ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) লঙ্ঘনের অভিযোগে অসম তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয়টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স বাতিল ক
সাংবাদিক সম্মেলনে আইওসিএল-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর নীতিন ভাটনাগর


গুয়াহাটি, ১৭ এপ্রিল (হি.স.) : ‘লিকুইফাইড পেট্ৰোলিয়াম গ্যাস’ (এলপিজি) সিলিন্ডার মজুত, বিতরণে অনিয়ম এবং ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) লঙ্ঘনের অভিযোগে অসম তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয়টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল)-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর তথা রাজ্যপ্রধান নীতিন ভাটনাগর জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কয়েকটি তেল বিপণন সংস্থা যৌথভাবে রাজ্যজুড়ে ৩১৯টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। পরিচালিত অভিযানে একটি এফআইআর দায়ের এবং ২৭৪টি এলপিজি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এ তথ্য দিয়ে ভাটনাগর জানান, গোটা অসমে এলপিজি এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন, বিক্রির ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, চাহিদার স্তরও স্থিতিশীল। তিনি জানান, গড়ে প্রতিদিন ২৯,৩৫০ কিলোলিটার পেট্রোল (এমএস) এবং ৩,৬৭০ কিলোলিটার ডিজেল (এইচএসডি) খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। বর্তমানে অসমে মোট ১,৭৩৭টি পেট্রোলিয়াম খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১,৪৬১টি তেল বিপণন সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত এবং ২৭৬টি বেসরকারি।

এলপিজি খাতে প্রায় ৯৩ লক্ষ গ্রাহককে ৬০৪ জন ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ১.৩৯ লক্ষ রিফিল সরবরাহ করা হয়। প্রায় ৪.২৮ দিনের বকেয়া সরবরাহ ধীরে ধীরে পূরণ করা হচ্ছে, জানান নীতিন ভাটনাগর।

তিনি জানান, ৮৮টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টির লাইসেন্স ইতিমধ্যেই সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। ডিজিটাল বুকিং এবং ডেলিভারি স্বীকৃতি সহ এসওপি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায়ও উন্নতি হয়েছে। দু-মাস আগে যেখানে ৪৯ শতাংশ এলপিজি বুকিং অনলাইনে হতো, এখন তা বেড়ে ৮৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ‘ডিএসি’ (ডেলিভারি অথেনটিক্যাশন কোড) মেনে চলার হারও আগের ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭২ শতাংশে পৌঁছেছে।

এছাড়া, আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষ, অভিবাসী এবং ছাত্রছাত্রীদের সহায়তার জন্য ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার উপলব্ধ করা হয়েছে, যাতে সবাই পরিষ্কার রান্নার জ্বালানির সুবিধা পায়, জানান ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ও রাজ্যপ্রধান নীতিন ভাটনাগর।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande