মাছ নিয়ে রাজনীতি নয়, মৎস্যজীবীদের উন্নয়ন জরুরি : দিলীপ ঘোষ
খড়গপুর, ১৭ এপ্রিল ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গে মাছ নিয়ে রাজনীতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করে রাজ্য সরকারের ওপর তীব্র আক্রমণ শানালেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপ
দিলীপ ঘোষ


খড়গপুর, ১৭ এপ্রিল ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গে মাছ নিয়ে রাজনীতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করে রাজ্য সরকারের ওপর তীব্র আক্রমণ শানালেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাসে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে এবং মাছ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে— এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

শুক্রবার নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন দিলীপ ঘোষ আইআইটি খড়গপুর সংলগ্ন মাছ বাজারে যান। সেখানে তিনি স্থানীয় মাছ বিক্রেতা ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভাব অভিযোগ শোনেন।

বিজেপি নেতা স্পষ্ট করে বলেন যে, মাছ বাঙালির সভ্যতা, সংস্কৃতি ও আহারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই এটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার করা সম্পূর্ণ অনুচিত ও যুক্তিহীন। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে রাজনীতি করছে।

রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রায় দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার পরেও বর্তমান সরকার মৎস্যজীবীদের কল্যাণে কোনও সুদূরপ্রসারী নীতি গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আজও রাজ্যের মৎস্যজীবীরা মৌলিক সুযোগ-সুবিধার জন্য লড়াই করছেন। আধুনিক পরিকাঠামো, কোল্ড স্টোরেজ বা হিমঘরের অভাব এবং সঠিক বিপণন ব্যবস্থার অভাবে রাজ্যের মৎস্যশিল্প তার পূর্ণ ক্ষমতা অনুযায়ী বিকশিত হতে পারেনি। এই কারণেই বাংলাকে আজও মাছ ও মাছের চারার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশের মতো অন্য রাজ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।

দিলীপ ঘোষ জোর দিয়ে বলেন যে, বাংলার মৎস্যজীবীরা অত্যন্ত পরিশ্রমী, কিন্তু তাঁদের সঠিক উৎসাহ ও সরকারি সংরক্ষণের প্রয়োজন। মাছ নিয়ে তুচ্ছ রাজনীতি করার বদলে এই শিল্পকে শক্তিশালী করা এবং মৎস্যজীবীদের আর্থিক অবস্থার গুণগত মানোন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে নতুন সরকার মৎস্যজীবীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং এই ক্ষেত্রের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande