কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানের বিরুদ্ধে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কোচবিহার, ১৭ এপ্রিল, (হি.স.): “বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ভোটস্বার্থে কেন্দ্রীয় সংস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি।” শুক্রবার রাজনৈতিক সভা থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানের বিরুদ্ধে এভাবে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলনেত্রীর অভিযো
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


কোচবিহার, ১৭ এপ্রিল, (হি.স.): “বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ভোটস্বার্থে কেন্দ্রীয় সংস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি।” শুক্রবার রাজনৈতিক সভা থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানের বিরুদ্ধে এভাবে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ, ‘‘এখানে বিজেপির বড় নেতা জ়েড প্লাস নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সব হরিদাস! এক এক জন ২০-২৫টা সেন্ট্রাল ফোর্স (কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান) নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। বাড়ি থেকে বেরোলে কেউ তাকিয়েও দেখে না এদের।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এরা গুন্ডামি করছে সেন্ট্রাল ফোর্সকে সঙ্গে নিয়ে। তাদের কিন্তু নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে না, শুধু তৃণমূলেরই হয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ক’টা বিজেপির (নেতার) বাড়ি তল্লাশি হয়েছে, আমি জানতে চাই।”

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতে যান আয়কর দফতরের একদল আধিকারিক। তিনি ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটি কলেজের অছি পরিষদের সদস্য। এলাকায় যথেষ্ট নামডাক রয়েছে তাঁর। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা মিরাজকে প্রস্তাবক হতে বলেছিলেন মমতা। পত্রপাঠ মিরাজ রাজিও হন। মমতার মননোয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে হাজিরও ছিলেন তিনি।

শুক্রবার কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় আয়কর হানার খবর আসে। তার মধ্যে রয়েছে সল্টলেক, মিডলটন স্ট্রিটের মতো ‘গুরুত্বপূর্ণ এলাকা’। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় ওই সব জায়গায় তল্লাশি চলে। তল্লাশি চলে তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিসের বাড়িতেও। আগে তাঁকে ইডি-ও ডেকে পাঠিয়েছিল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande