বাংলায় 'বহিরাগত' নয় বিজেপি, কলকাতায় এসে জানালেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ
কলকাতা, ১৭ এপ্রিল (হি.স.): রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে একাধিকবার বিজেপি-র বিরুদ্ধে তোপ দাগা হয়েছে ''বহিরাগত'' তকমা দিয়ে। শুক্রবার কলকাতায় এসে যেন তারই জবাব দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। এ দিন রাজারহাটে একটি হো
দেবেন্দ্র ফড়নবিশ


কলকাতা, ১৭ এপ্রিল (হি.স.): রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে একাধিকবার বিজেপি-র বিরুদ্ধে তোপ দাগা হয়েছে 'বহিরাগত' তকমা দিয়ে। শুক্রবার কলকাতায় এসে যেন তারই জবাব দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। এ দিন রাজারহাটে একটি হোটেলে বিজেপি–র সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের দলের (বিজেপি) জন্ম এই বাংলাতেই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরেই এই দলের পথচলা শুরু হয়েছিল। তাই আমাদের 'বহিরাগত' হিসেবে আখ্যায়িত করা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি তৃণমূলের নাম না করে নিশানা করেন। বলেন, যারা নিজেদের বাংলার সন্তান বলে দাবি করেন আমার প্রশ্ন সেইসব মানুষের কাছে। আপনারা যদি সত্যি বাংলারই মানুষ হন, তবে আপনাদেরই আপনজনদের ওপর আপনারা কেন এত অকথ্য অত্যাচার ও নিপীড়ন চালিয়েছেন?

দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এও বলেন, আমরা সবাই জানি যে, একটা সময় ছিল যখন কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গ দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পের রাজধানী ছিল। দেশের প্রথম সারির বড় শিল্পগুলো এই বাংলাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এমনকি আজও আমরা দেখতে পাই যে, দেশের সফল উদ্যোক্তাদের অনেকেরই উত্থান বা যাত্রার সূচনা কোনও না কোনওভাবে এই বাংলা থেকেই হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসন এখন এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, যা সিপিআই(এম)-এর আমলের থেকেও খারাপ।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ আরও বলেন, আজ যদি আমরা বাংলার যুবসমাজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চাই, তবে রাজ্যে শিল্প আসা একান্ত প্রয়োজন। একসময় দেশের মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি রাজ্যের অন্যতম ছিল বাংলা। অথচ আজ বাংলার ওপর ঋণের বোঝা। বাংলার শিল্পক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এখানকার বর্তমান পরিস্থিতি রাজ্যে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং 'ব্যবসা করার সহজ পরিবেশ' নিশ্চিত করার মাধ্যমেই বাংলা আবারও একটি শিল্পসমৃদ্ধ রাজ্য হিসেবে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande