
আগরতলা, ১৮ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরায় গণবণ্টন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ রাখতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দফতরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে শনিবার সচিবালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এই বার্তাই উঠে আসে।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য দ্রব্য যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে সরকার সর্বদা সতর্ক রয়েছে। গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণকে সঠিক পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দফতরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, দফতরের আধিকারিক ও কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজ্যে এই ব্যবস্থাকে সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দফতরের কাজকর্মে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার কার্যকর তদারকির ফলে রাজ্যে এলপিজি, পেট্রোলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।
কালোবাজারি রুখতে সরকারের কড়া অবস্থানের কথাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণবণ্টন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় যে কোনও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় খাদ্য দফতরের অতিরিক্ত সচিব ও অধিকর্তা সুমিত লোধ রাজ্যের বর্তমান খাদ্য মজুত, এলপিজি-র সরবরাহ পরিস্থিতি, ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলিতে পণ্য সরবরাহ এবং খাদ্য গুদামগুলির নিয়মিত যাচাইকরণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এলপিজি ও পেট্রোলসহ বিভিন্ন পণ্যের কালোবাজারি রোধে দফতর কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।
এছাড়াও সভায় দফতরের সচিব কে. শশীকুমার মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দফতরের অতিরিক্ত অধিকর্তাসহ অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ