দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধন, ‘বিজয় ৭১’ প্রতিনিধিদলকে সংবর্ধনা
কলকাতা, ২ এপ্রিল (হি.স.) : দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরদারের বার্তা। বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিত্বকারী - ‘বিজয় ৭১’-এর একটি প্রতিনিধিদলকে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিয়ালদহ স্টেশনে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্
কলকাতায় সংবর্ধনা


কলকাতা, ২ এপ্রিল (হি.স.) : দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরদারের বার্তা। বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিত্বকারী - ‘বিজয় ৭১’-এর একটি প্রতিনিধিদলকে বৃহস্পতিবার বিকেলে শিয়ালদহ স্টেশনে সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা টাউনে আয়োজিত অল বেঙ্গল আর্ট সোসাইটির বিদ্যাসাগর মঞ্চের অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই কলকাতায় আসা বিজয় ৭১-এর। সেখানে যাওয়ার পথে এদিন অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে বিজয় ৭১ খুলনার উপদেষ্টা, স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কবি আবু কওছার এবং সংগঠনের সম্পাদক সেলিম মাহবুব। এদিন বিকেল তিনটে নাগাদ শিয়ালদহে পৌঁছলে তাঁদের ফুল দিয়ে বরণ করেন আশা ফাউন্ডেশন ও বাঙালি বিশ্বকোষের সদস্যরা। অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিশু সাহিত্যিক আব্দুল করিম, সাহিত্যিক বরুণ চক্রবর্তী, কবি পৌরকর রায়, অনিরুদ্ধ পাল, কবি সৈয়েদা বেগম, প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘আমার ভারত’ পত্রিকার সম্পাদক শাকিল আহমেদ। সেইসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আর্ট বেঙ্গল সোসাইটি, চন্দ্রকোণা, পশ্চিম মেদিনীপুরের সদস্যরাও।

অতিথিদের হাতে বই তুলে দেওয়ার পাশাপাশি মধ্যাহ্নভোজেরও আয়োজন করা হয়। বক্তাদের বক্তব্যেও উঠে আসে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনের প্রসঙ্গ। তাঁদের মতে, সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদানপ্রদানের মধ্যে দিয়েই ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। এই প্রসঙ্গে কবি আব্দুল করিম বলেন, ‘বাঙালি বিশ্বকোষ বিশ্বজুড়ে বাঙালিদের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে।’ অন্যদিকে, সংবর্ধনার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেলিম মাহবুব। তিনি বলেন, - ‘এই আন্তরিকতা দুই বাংলার সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।’ এদিন সংবর্ধনা শেষে প্রতিনিধি দলটি নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পশ্চিম মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande