শহরে হাতির 'নাইটওয়াক', ভোটের মুখে ঝাড়গ্রামে তুঙ্গে হাতি আতঙ্ক
ঝাড়গ্রাম, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : নির্বাচনের ঠিক মুখে জঙ্গলমহলে ফের হাতির উপদ্রবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার গভীর রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের রাস্তায় একটি শাবক-সহ তিনটি হাতিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। রাতের নির্জনতায় স্ট্রিট লাইটের আলোয় হাতি দম্পত
শহরে হাতির 'নাইটওয়াক', ভোটের মুখে ঝাড়গ্রামে তুঙ্গে হাতি আতঙ্ক


ঝাড়গ্রাম, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : নির্বাচনের ঠিক মুখে জঙ্গলমহলে ফের হাতির উপদ্রবকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার গভীর রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের রাস্তায় একটি শাবক-সহ তিনটি হাতিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। রাতের নির্জনতায় স্ট্রিট লাইটের আলোয় হাতি দম্পতির সেই 'নাইটওয়াক'-এর দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হলেও, জনবসতি এলাকায় হাতির প্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

বন দফতর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত দুটো নাগাদ জামবনি ব্লকের পড়িহাটি রেঞ্জের কুশবনির জঙ্গল থেকে দুটি পূর্ণবয়স্ক হাতি ও একটি শাবক দহিজুড়ি হয়ে ঝাড়গ্রাম শহরে ঢোকে। হাতিগুলি পুরসভার খুব কাছ দিয়ে বাছুরডোবা হয়ে কদমকাননের দিকে যাওয়ার পথে খাবারের খোঁজে দুটি বাড়ির পাঁচিল ভেঙে দেয়। পরে সেগুলি শুশনিগেড়িয়ার জঙ্গলে চলে যায়। দিনের বেলায় এই ঘটনা ঘটলে বড়সড় বিপদ হতে পারত বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম জানান, হাতিগুলি নিজস্ব গতিতে শহরে চলে এসেছিল, পরে সেগুলিকে জঙ্গলের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ৩২টি হাতির একটি দলকে বেলপাহাড়ির কাঁকড়াঝোড় হয়ে ঝাড়খণ্ডের দলমা রুটে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মেদিনীপুর ডিভিশন থেকে আসা প্রায় ৩০টি হাতির একটি দল খড়্গপুর ডিভিশনের সাঁকরাইল ব্লকের ইটামারো গ্রামে ঢুকে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। হাতির হানায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় সোমবার বনকর্মীদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পরে বিট অফিস থেকে আধিকারিকরা এসে ক্ষয়ক্ষতির তদন্ত ও দ্রুত ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ওঠে।

জঙ্গলমহলে ভোট হতে আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা বাকি। তার আগে ঝাড়গ্রাম শহর ও সংলগ্ন গ্রামগুলিতে হাতির এই অবাধ বিচরণ সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande