কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তৃণমূল,গোপীবল্লভপুরে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু
ঝাড়গ্রাম, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : “আমি জঙ্গলমহলে নেতা হিসেবে আসি না, কুটুম হয়ে আসি। টুসু-পরব-হুল উৎসবে যোগ দিয়ে এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্তু তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি আটকে দিয়ে এখানকার মানুষকে চরম কষ্টে রাখছে।”
কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তৃণমূল,গোপীবল্লভপুরে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু


ঝাড়গ্রাম, ২০ এপ্রিল (হি. স.) : “আমি জঙ্গলমহলে নেতা হিসেবে আসি না, কুটুম হয়ে আসি। টুসু-পরব-হুল উৎসবে যোগ দিয়ে এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্তু তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি আটকে দিয়ে এখানকার মানুষকে চরম কষ্টে রাখছে।” সোমবার ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী রাজেশ মাহাতোর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।এদিন শুভেন্দু অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড, জল জীবন মিশন এবং বিশ্বকর্মা যোজনার মতো জনহিতকর প্রকল্পগুলি কার্যকর করতে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, “আয়ুষ্মান কার্ড চালু হলে সারা ভারতের হাসপাতালে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা করানো যেত। কিন্তু এই সরকার তা আটকে দিয়েছে। রেলের প্রজেক্টের জন্য জমি দিতেও এদের অনীহা।”কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল তুলে ধরে তিনি জানান, ‘উজ্জ্বলা’ যোজনার মাধ্যমে ১ কোটি ২৯ লক্ষ মহিলা গ্যাস পেয়েছেন। অথচ তৃণমূল সরকার জঙ্গলমহলের বালি থেকে শুরু করে প্রকৃতির সব সম্পদ লুঠ করে বিক্রি করে দিচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, “নদী-নালার বালি তুলে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। একটি বালি খাদান বৈধ হলে নিরানব্বইটি অবৈধ। ইডি বালি কোম্পানির ম্যানেজারের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা ও বিপুল সোনা উদ্ধার করেছে।”রেল প্রকল্পের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত সরকার ৬১টি রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। যার মধ্যে ঝাড়গ্রাম-লালগড় এবং বারিপাদা থেকে নয়গ্রাম-গোপীবল্লভপুর রেল প্রজেক্ট রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার থাকলে জমি অধিগ্রহণ করতে দেবে না এবং এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হবে না।বাম আমলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “কলাইকুন্ডায় আর্মি ক্যাম্পের জমি নিতে তৎকালীন সিপিএম বাধা দিয়েছিল। আজ সেই একই পথে হাঁটছে তৃণমূল।” জঙ্গলমহলের স্মৃতিচারণ করে তিনি দাবি করেন, শালবনী থেকে নেতাই গণহত্যার সময় মৃতদেহগুলি তিনিই তুলেছিলেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী কোথায় ছিলেন— সেই প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু।তৃণমূলকে একটি ‘কর্পোরেট সংস্থা’ হিসেবে অভিহিত করে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এরা আইপ্যাক এবং পুলিশের ওপর নির্ভর করে চলে। অর্ধেক নেতা-মন্ত্রী এখন জেলে।” তাঁর দাবি, কয়লা পাচার মামলায় যুক্ত ওই কর্পোরেট সংস্থা সুপ্রিম কোর্টেও কোনো রক্ষাকবচ পায়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande