অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালাতে গিয়ে গণধোলাই
ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ২০ এপ্রিল (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার লোয়াইরপোয়া এলাকায় সোমবার দুপুরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগে ধরা পড়েন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ত্রিপুর
পরকীয়ায় গণধোলাই


ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ২০ এপ্রিল (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমার লোয়াইরপোয়া এলাকায় সোমবার দুপুরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগে ধরা পড়েন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ত্রিপুরা পুলিশের কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন—এই অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মনগরের বাসিন্দা সুমন শর্মা পেশায় একটি বেসরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্মী। কর্মসূত্রে তিনি প্রায়ই অসমের শ্রীভূমি জেলার আসিমগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন প্রশান্ত মল্লিক ওরফে রাজু নামে জনৈক ব্যক্তি। অভিযোগ, তিনি ত্রিপুরা পুলিশের একজন সিনিয়র কনস্টেবল।

সোমবার দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ, সুমন শর্মা কর্মস্থলে ব্যস্ত থাকার সুযোগে প্রশান্ত মল্লিক ওই মহিলাকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সুমন শর্মা তার সহকর্মীদের নিয়ে দ্রুত তাঁদের পিছু নেন। শেষ পর্যন্ত লোয়াইরপোয়া এলাকায় বিদ্যুৎ দফতরের কার্যালয়ের সামনে তাঁদের আটক করতে সক্ষম হন তাঁরা।

ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং জাতীয় সড়কের উপর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত দু'জনকে ঘিরে ফেলে এবং মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে বাজারিছড়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ অভিযুক্ত প্রশান্ত মল্লিক ও সংশ্লিষ্ট মহিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বর্তমানে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande