নির্বাচনী লড়াইয়ে অর্থের টান, আমজনতার কাছে সাহায্যের আর্জি ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র
কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.) : প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক মুখে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়ল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে দলের প্রার্থীরা জোটবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ সাহায্যের জন্য কাতর আবে
প্রেস ক্লাব, কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে


কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.) : প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক মুখে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়ল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে দলের প্রার্থীরা জোটবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থ সাহায্যের জন্য কাতর আবেদন জানালেন। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার, যার প্রচার পর্ব মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেষ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের এমন আর্জি রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

​এদিন সশরীরে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেহালা (পশ্চিম) কেন্দ্রের প্রার্থী স্বরূপ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা বন্দরের প্রার্থী ইমতিয়াজ আলম এবং হাওড়া ও কলকাতার পর্যবেক্ষক আসরফ আলি শেখ-সহ পাঁচজন প্রার্থী। মুর্শিদাবাদ থেকে ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে যোগ দেন দলের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি স্পষ্ট জানান যে, তাঁদের দলের সঙ্গে বর্তমানে কারোর কোনও আর্থিক যোগাযোগ নেই এবং কোনও সাহায্যও মেলেনি। উল্টে শাসক ও বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ ব্যবহার করে জনমানসে তাঁদের সম্পর্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

​উল্লেখ্য, দলটির পক্ষ থেকে প্রথমে ১৮৪টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিরোধীদের ভয় দেখানো এবং প্রলোভনের মুখে পড়ে বেশ কিছু আসনের প্রার্থী লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে ১০০ জনের কাছাকাছি প্রার্থী ‘বাঁশি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

​সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত প্রার্থীরা একযোগে দাবি করেন, সাধারণ ভোটাররাই তাঁদের শেষ ভরসা। নির্বাচনের এই চূড়ান্ত মুহূর্তে প্রচার ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁরা সরাসরি মানুষের কাছে আর্থিক সমর্থনের অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বড় দলগুলোর দাপটের মাঝে ছোট দলগুলোর লড়াই যে কতটা কঠিন হয়ে পড়ছে, এই দিনের সাংবাদিক সম্মেলন তারই প্রতিফলন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande