ভোটের কাজে অধ্যাপকদের নিয়োগে সবুজ সঙ্কেত হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের
কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি.স.) : কলেজ অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে নিয়োগ করার নির্দেশ খারিজ করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। মঙ্গলবার সেই নির্দেশ স্থগিত করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী মহল
ভোটের কাজে অধ্যাপকদের নিয়োগে সবুজ সঙ্কেত হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের


কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি.স.) : কলেজ অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে নিয়োগ করার নির্দেশ খারিজ করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। মঙ্গলবার সেই নির্দেশ স্থগিত করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী মহলের ব্যাখ্যা, এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের ফলে কলেজের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে আপাতত নিয়োগ করতে পারবে কমিশন। ভোটের মতো একটি জাতীয় কর্মযজ্ঞে সরকারি কর্মীদের অংশগ্রহণ যে জরুরি, তা ফের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে হাই কোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চের মতে, কলেজ অধ্যাপকরা রাজ্যের সরকারি কর্মী। ফলে জাতীয় স্বার্থে ভোটের কাজে তাঁদের নিয়োগ করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকতে পারে না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারী কলেজ শিক্ষকদের একাংশ ইতিমধ্যেই কমিশনের নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন, যা থেকে স্পষ্ট যে তাঁরাও বিষয়টিকে মেনে নিয়েছেন।

ডিভিশন বেঞ্চের মতে, মামলাটি করার সময় হলফনামায় বেশ কিছু ত্রুটি ছিল। বিশেষ করে সেক্টর অফিসার বা পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি করা হয়েছিল, তা ভিত্তিহীন বলে মনে করছে আদালত। বেঞ্চ স্পষ্ট করেছে, একজন প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের পরিধি এবং দায়িত্ব যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেক্টর অফিসার বা অবজার্ভারদের কাজ প্রশাসনিক, প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর তাঁদের কোনও কর্তৃত্ব নেই। আদালত স্পষ্ট জানায়, প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের ওপর কোনও হস্তক্ষেপের প্রশ্নই ওঠে না। এই বিষয়টি সম্ভবত সিঙ্গেল বেঞ্চের নজর এড়িয়ে গিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ঠিক কতজন অধ্যাপককে ভোটের বুথে প্রয়োজন, তার কোনও সঠিক হিসেব কমিশন দিতে পারেনি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande