কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের অভিযোগ তৃণমূলের, প্রয়োজনে ট্যাঙ্ক নামানোর চ্যালেঞ্জ কুণাল ঘোষের
কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.): আগামী ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রথম দফায় প্রায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিন
কুণাল ঘোষ


কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.): আগামী ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রথম দফায় প্রায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। তবে এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন ঘিরেই এবার সুর চড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার সকালে এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এবং ঋজু দত্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন যে, অত্যন্ত শান্ত এলাকাগুলিতে মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ এজেন্ট এবং সক্রিয় কর্মীদের বেছে বেছে গ্রেফতার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে এবং নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, যদি এভাবেই ভয় দেখাতে হয়, তবে রাস্তায় কিছু ট্যাঙ্কও নামিয়ে দিন, আমরাও দেখে নেব। কুণাল ঘোষ আরও অভিযোগ তোলেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের এক্তিয়ার অতিক্রম করছে এবং অনেক জায়গায় জওয়ানরা সাধারণ মানুষকে সরাসরি বিজেপি-কে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

তৃণমূল নেতা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেন যে, সমস্ত বাধা অতিক্রম করে তৃণমূল কংগ্রেস রেকর্ড সংখ্যক আসনে জয়ী হয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি কলকাতা বন্দর এলাকায় বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের প্রচার চলাকালীন অপ্রীতিকর ঘটনারও নিন্দা করেন। ইকবালের ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে ৫ জন বিজেপি কর্মী বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে দুটি খোদ রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধেই করা হয়েছে।

তৃণমূল নেতাদের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপি এখন কংগ্রেস এবং সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৃণমূল কর্মীদের একটি তালিকা তৈরি করেছে এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তাঁদের নিশানা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিজেপি নেতা প্রলয় পালের বিরুদ্ধে এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর চ্যাটিং করার অভিযোগ তুলেও বিজেপি-কে বিঁধেছে তৃণমূল শিবির। সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটের ঠিক দু'দিন আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং রাজনৈতিক তর্জা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande