বালি পাচার মামলায় এবার ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিং বিশ্বাস, বুধবার হাজিরার নির্দেশ
কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.): বালি পাচার মামলার তদন্তে এবার কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) শান্তনু সিং বিশ্বাসকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর আগে জমি দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। এবার বালি পা
বালি পাচার মামলায় এবার ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিং বিশ্বাস, বুধবার হাজিরার নির্দেশ


কলকাতা, ২১ এপ্রিল (হি. স.): বালি পাচার মামলার তদন্তে এবার কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) শান্তনু সিং বিশ্বাসকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর আগে জমি দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। এবার বালি পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আগামী বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই একই মামলায় ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকেও তলব করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে বালি পাচারের তদন্তে নেমে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। তবে শান্তনু সিং বিশ্বাস এবং সুনীল আগরওয়ালকে ঠিক কোন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তলব করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

এদিকে, বেহালার এক ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে ডিসি শান্তনু সিং বিশ্বাস এবং তাঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের দাবি করেছে ইডি। তদন্তকারীদের অভিযোগ, নিজের প্রভাব খাটিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে জমি পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন শান্তনু বাবু। বিশেষ করে যৌথ মালিকানাধীন জমি, ভাড়াটে সংক্রান্ত বিবাদ থাকা জমি এবং যে সব জমির মালিকরা রাজ্যের বাইরে থাকেন, সেই সব সম্পত্তিই ছিল তাঁদের নিশানায়। ইডির দাবি, ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল, যার মধ্যে শান্তনু সিং বিশ্বাসের নাম অন্যতম। এমনকি তাঁর দুই ছেলের সঙ্গেও ওই ব্যবসায়ীর যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার হাতে আসা একটি ডায়েরিতে পুলিশের বিভিন্ন আধিকারিকদের দেওয়া উপহারের তালিকায় 'শান্তনু স্যার' নামের উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে যে, শান্তনু বাবুর মালিকানাধীন একটি জমিতে জয় কামদার বেআইনি নির্মাণ কাজ করছিলেন। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে শান্তনু সিং বিশ্বাসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বুধবার তিনি হাজিরা দেন কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande