আপডেট...অসমে ঘোষিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল, উত্তীৰ্ণের হার ৮১.৫৪ শতাংশ, দাপট ছাত্ৰীদের
গুয়াহাটি, ২৮ এপ্রিল (হি.স.) : পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১২টি ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আজ মঙ্গলবার সকাল ঠিক ১০:৩০টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ‘অসম রাজ্য বিদ্যালয় শিক্ষা পর্ষদ’ (আসাম স্টেট স্কুল এডুকেশন বোর্ড সংক্ষেপে এএসএসইবি) পরিচালিত ২০২৬ শিক্ষা
চ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল_প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র


গুয়াহাটি, ২৮ এপ্রিল (হি.স.) : পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১২টি ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আজ মঙ্গলবার সকাল ঠিক ১০:৩০টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ‘অসম রাজ্য বিদ্যালয় শিক্ষা পর্ষদ’ (আসাম স্টেট স্কুল এডুকেশন বোর্ড সংক্ষেপে এএসএসইবি) পরিচালিত ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিকের কলা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং বৃত্তিমূলক (কারিগরি) পরীক্ষার ফলাফল একযোগে ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সব শাখা মিলিয়ে মোট পাশের হার ৮১.৫৪ শতাংশ। আজকের ঘোষিত ফলাফলে ছাত্ৰদের তুলনায় ছাত্ৰীরা প্রায় সববিভাগেই দাপট দেখিয়েছে।

চলতি ২০২৬ শিক্ষাবৰ্ষের উচ্চমাধ্যমিক চূড়ান্ত পরীক্ষা গত ১১ ফেব্ৰুয়ারি থেকে ১৬ মাৰ্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় দিয়েছে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৭৪৪ জন শিক্ষার্থী।

আজ প্রকাশিত ফলাফলে বিভাগ অনুযায়ী কলা বিভাগে উত্তীর্ণের হার ৭৯.৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে প্রথম বিভাগে ৫৫,৭৫৫ জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৭৯,১৮১ জন এবং তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ ৫৭,৮৬২ জন। মোট উত্তীর্ণ ১,৯১,৭৯৮ জন।

বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণের হার ৮৯.৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ ৩৪,০৭৯ জন, দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ ১৭,৭৭৭ জন এবং তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ ২,৬১৮ জন। মোট উত্তীর্ণ ৫৪,৪৭৪ জন।

বাণিজ্য বিভাগে উত্তীর্ণের হার ৮১.১৩ শতাংশ। এর মধ্যে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ ৭,৭৮৭ জন, দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ ৫,৬৯৪ জন এবং তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ ৩,২১৫ জন। মোট উত্তীর্ণ ১৫,৭৯৬ জন।

কলা বিভাগে ৯৪.২৯ শতাংশ উত্তীর্ণের হারে শীর্ষস্থান দখল করেছে বাকসা জেলা। বাণিজ্য বিভাগে ১০০ শতাংশ উত্তীর্ণের হারে শীর্ষে রয়েছে মাজুলি এবং দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলা। বিজ্ঞান বিভাগে ৯৮.৩৯ শতাংশ উত্তীর্ণের হারে শীর্ষে রয়েছে তামুলপুর জেলা। বৃত্তিমূলক বিভাগে ১০০ শতাংশ উত্তীর্ণের হারে শীর্ষে রয়েছে বিশ্বনাথ, শিবসাগর এবং মাজুলি। বৃত্তিমূলক বিভাগে মোট উত্তীর্ণের হার ৭৪.১৯ শতাংশ।

জেলা ভিত্তিক বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণের হার এ রকম -

বাকসা জেলায় উত্তীর্ণের হার ৯৭.৯৬ শতাংশ, বজালি জেলায় ৯৬.০০, বরপেটা জেলায় ৮২.২৩ শতাংশ, বিশ্বনাথ জেলায় ৮৫.৫৬ শতাংশ, বঙাইগাঁও জেলায় ৮৪.৯০ শতাংশ, কাছাড় জেলায় ৮৮.১৪ শতাংশ, চড়াইদেও জেলায় ৯৩.৪৩ শতাংশ, চিরাং জেলায় ৯১.৮৯ শতাংশ, দরং জেলায় ৯৭.০১ শতাংশ, ধেমাজি জেলায় ৭০.০৩ শতাংশ, ধুবড়ি জেলায় ৯০.০৮ শতাংশ, ডিব্রুগড় জেলায় ৯৪.৪২ শতাংশ, ডিমা হাসাও জেলায় ৮০.৯০ শতাংশ, গোয়ালপাড়া জেলায় ৮৬.৫৩ শতাংশ, গোলাঘাট জেলায় ৯৫.৪৪ শতাংশ, হাইলাকান্দি জেলায় ৮১.১৭ শতাংশ, হোজাই জেলায় ৯৪.৮৭ শতাংশ, যোরহাট জেলায় ৯৬.০৭ শতাংশ, কামরূপ জেলায় ৯৩.৭৩ শতাংশ, কামরূপ মেট্রো জেলায় ৮৬.২২ শতাংশ, কার্বি আংলং জেলায় ৯৪.১০ শতাংশ, কোকরাঝাড় জেলায় ৮৪.৭৫ শতাংশ, লখিমপুর জেলায় ৯১.৬৮ শতাংশ, মাজুলি জেলায় ৮৯.৫৮ শতাংশ, মরিগাঁও জেলায় ৮৪.৭৮ শতাংশ, নগাঁও জেলায় ৯৪.১৮ শতাংশ, নলবাড়ি জেলায় ৯৫.১৯ শতাংশ, শিবসাগর জেলায় ৯৭.৩৬ শতাংশ, শোণিতপুর জেলায় ৮৯.৪৫ শতাংশ, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলায় ৯৩.৪০ শতাংশ, শ্রীভূমি জেলায় ৯৩.৩২ শতাংশ, তামুলপুর জেলায় ৯৮.৩৯ শতাংশ, তিনসুকিয়া জেলায় ৮৭.০৫ শতাংশ, ওদালগুড়ি জেলায় ৮৯.৭১ শতাংশ এবং দক্ষিণ কার্বি আংলং জেলায় উত্তীর্ণের হার ৯৮.৩৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, বিজ্ঞান বিভাগে জেলা ভিত্তিক প্রথম স্থানে রয়েছে তামুলপুর জেলা। দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ কার্বি আংলং এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাক্সা জেলা।

জেলা ভিত্তিক বাণিজ্য বিভাগে উত্তীর্ণের হার যথাক্রমে বজালি জেলায় ৯৬.৪৬ শতাংশ, বাকসা জেলায় ৯৫.৬২ শতাংশ, বরপেটা জেলায় ৭৬.২২ শতাংশ, বিশ্বনাথ জেলায় ৮৯.৬৯ শতাংশ, বঙাইগাঁও জেলায় ৭০.০০ শতাংশ, কাছাড় জেলায় ৭৭.৪৮ শতাংশ, চড়াইদেও জেলায় ৮৪.৬২ শতাংশ, চিরাং জেলায় ৮০.৬৭ শতাংশ, দরং জেলায় ৯০.৫২ শতাংশ, ধেমাজি জেলায় ৭৮.১৮ শতাংশ, ধুবড়ি জেলায় ৬৮.২৩ শতাংশ, ডিব্রুগড় জেলায় ৭৭.৯১ শতাংশ, ডিমা হাসাও জেলায় ৮২.২৯ শতাংশ। গোয়ালপাড়া জেলায় ৮৩.২২ শতাংশ, গোলাঘাট জেলায় ৮২.৪৪ শতাংশ, হাইলাকান্দি জেলায় ৬৯.৬৮ শতাংশ, হোজাই জেলায় ৭৬.৫৪ শতাংশ, যোরহাট জেলায় ৯৩.২৭ শতাংশ, কামরূপ জেলায় ৮৭.৫৬ শতাংশ। কামরূপ মেট্রো জেলায় ৮৩.৮৫ শতাংশ, কার্বি আংলং জেলায় ৮২.৩৯ শতাংশ, কোকরাঝাড় জেলায় ৬৯.২৯ শতাংশ, লখিমপুর জেলায় ৭২.৭৭ শতাংশ, মাজুলি জেলায় ১০০ শতাংশ, মরিগাঁও জেলায় ৯০.৯১ শতাংশ, নগাঁও জেলায় ৮৪.৭২ শতাংশ, নলবাড়ি জেলায় উত্তীর্ণের হার ৮১.৯৫ শতাংশ, শিবসাগর জেলায় ৮৯.২৭ শতাংশ, শোণিতপুর জেলায় ৭৫.২০ শতাংশ, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলায় ১০০ শতাংশ, শ্রীভূমি জেলায় ৭৩.৫৯ শতাংশ, তামুলপুর জেলায় ৯৮.৯৫ শতাংশ, তিনসুকিয়া জেলায় ৭০.৭৩ শতাংশ, ওদালগুড়ি জেলায় ৮২.০৮ শতাংশ এবং দক্ষিণ কার্বি আংলং জেলায় ৯৫.৬৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, বাণিজ্য বিভাগে জেলা ভিত্তিক প্রথম স্থানে রয়েছে মাজুলি এবং দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলা। দ্বিতীয় স্থানে তামুলপুর এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বজালি জেলা।

জেলা ভিত্তিক কলা বিভাগে উত্তীর্ণের হার যথাক্রমে -

বজালি জেলায় উত্তীর্ণের হার ৮৭.৩০ শতাংশ, বাকসা জেলায় হার ৯৪.২৯ শতাংশ, বরপেটা জেলায় ৬৯.৩৩ শতাংশ, বিশ্বনাথ জেলায় ৮৯.৮৫ শতাংশ, বঙাইগাঁও জেলায় ৭৭.৩৯ শতাংশ, কাছাড় জেলায় ৫৯.৮৩ শতাংশ, চড়াইদেও জেলায় ৮২.১৯ শতাংশ, চিরাং জেলায় ৭৭.৮৭ শতাংশ, দরং জেলায় ৯২.৯৯ শতাংশ, ধেমাজি জেলায় ৬৯.৫৮ শতাংশ, ধুবড়ি জেলায় ৭২.৭৩ শতাংশ, ডিব্রুগড় জেলায় ৮৪.৫৪ শতাংশ, ডিমা হাসাও জেলায় ৮৮.২২ শতাংশ, গোয়ালপাড়া জেলায় ৭৪.০৫ শতাংশ, গোলাঘাট জেলায় ৮৫.৪১ শতাংশ, হাইলাকান্দি জেলায় ৬২.৮৫ শতাংশ, হোজাই জেলায় ৭৭.০৬ শতাংশ, যোরহাট জেলায় ৮২.৫৩ শতাংশ, কামরূপ জেলায় ৭৮.৩৯ শতাংশ, কামরূপ মেট্রো জেলায় ৭৩.২৯ শতাংশ, কার্বি আংলং জেলায় ৭০.২৫ শতাংশ, কোকরাঝাড় জেলায় ৭৬.৬৬ শতাংশ, লখিমপুর জেলায় ৯০.৩৫ শতাংশ, মাজুলি জেলায় ৮৮.২৮ শতাংশ, মরিগাঁও জেলায় ৮৬.৪০ শতাংশ, নগাঁও জেলায় ৮৬.৪৯ শতাংশ, নলবাড়ি জেলায় ৮৪.৮২ শতাংশ, শিবসাগর জেলায় ৮৭.১২ শতাংশ, শোণিতপুর জেলায় ৭৮.৮৭ শতাংশ, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলায় ৮০.৪৯ শতাংশ, শ্রীভূমি জেলায় ৭৯.৭৩ শতাংশ, তামুলপুর জেলায় ৮৮.৬৩ শতাংশ, তিনসুকিয়া জেলায় ৮৩.৭৭ শতাংশ, ওদালগুড়ি জেলায় ৮৩.৩৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ কার্বি আংলং জেলায় ৮৩.১৭ শতাংশ।

অন্যদিকে, কলা বিভাগে জেলা ভিত্তিক প্রথম স্থানে রয়েছে বাকসা জেলা। সর্বনিম্ন উত্তীর্ণের হার কাছাড় জেলায়। দ্বিতীয় স্থানে দরং জেলা এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে লখিমপুর জেলা।

এদিকে আজ ঘোষিত উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলে কলা বিভাগে ছাত্রদের পিছনে ফেলেছে ছাত্রীরা। এই বিভাগে উত্তীর্ণের হার ৭৯.৫৪ শতাংশ। তবে ছাত্রীর উত্তীর্ণের হার ৮১.৯৬ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৭৬.১০ শতাংশ।

এবার মোট ২,৪১,১২৪ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক চূড়ান্ত বর্ষের কলা বিভাগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ৯৯,৫৮৯ জন ছাত্র এবং ১,৪১,৫৩৪ জন ছাত্রী পরীক্ষার্থী ছিল। ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, ছাত্র পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭,১৫০ জন প্রথম বিভাগে, ৩৩,১১২ জন দ্বিতীয় বিভাগে এবং ২৫,৫২৮ জন তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে।

মোট ৯৯,৫৮৯ জন ছাত্রের মধ্যে ৭৫,৭৯০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এই বিভাগে। অন্যদিকে, ছাত্রীদের মধ্যে ৩৭,৬০৫ জন প্রথম বিভাগে, ৪৬,০৬৯ জন দ্বিতীয় বিভাগে এবং ৩২,৩৩৪ জন তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বমোট কলা বিভাগে ১,১৬,০০৮ জন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande