
কলকাতা, ২৯ এপ্রিল (হি.স.) প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও মোটের উপর নির্বিঘ্নেই মিটছে ভোট। বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও কোনও বড় রকমের অশান্তির খবর মেলেনি। বিক্ষিপ্ত অশান্তি, গোলমাল অবশ্যই হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের চেষ্টায় কিছু ক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকও হয়েছে। শেষ দফায় রাজ্য তথা দেশের নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এখানকার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে শুভেন্দুর উদ্দেশে তৃণমূলের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ‘চোর-চোর’ কটাক্ষের পাল্টা ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। কিছু ক্ষণের জন্য উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভোটের ভবানীপুর। লাঠিচার্জ করতে হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। তার পর আর বিশেষ গন্ডগোল দেখা যায়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়েও তাই। আইএসএফ প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে দেখে বিক্ষোভ দেখান শাসকদলের কর্মীরা। তবে ওই পর্যন্ত। ভোটের সময় ভাঙড়ের চেনা ছবি এ বার দেখা যায়নি। মোটের উপর বিকেল পর্যন্ত নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে ওই বিধানসভায়।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে একেবারে নজিরবিহীন নিরাপত্তার সাক্ষী হল পশ্চিমবঙ্গ। প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথকে চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এমনকি ভোটের দিন ময়দানে নেমে পড়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাও। দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘটকপুকুর এলাকায় দেখা যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দলকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত তৎপর ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সার্বিকভাবে দেখতে গেলে এবারের ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই প্রয়াস।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ