বক্সনগরে গভীর রাতে সশস্ত্র ডাকাতি, গৃহকর্তাকে বেঁধে লুট নগদ ও স্বর্ণালঙ্কার
বক্সনগর (ত্রিপুরা), ৫ এপ্রিল (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর এলাকার বাঁশপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মরণআলী এলাকায় গভীর রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীরা একটি বাড়িতে হানা দিয়ে গৃহকর্তাকে বেঁধে রেখ
ডাকাতির তদন্তে পুলিশ


বক্সনগর (ত্রিপুরা), ৫ এপ্রিল (হি.স.) : সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর এলাকার বাঁশপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মরণআলী এলাকায় গভীর রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীরা একটি বাড়িতে হানা দিয়ে গৃহকর্তাকে বেঁধে রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে শাহাজাহান মিয়ার বাড়িতে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা প্রথমে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং পরিবারের সদস্যদের আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তারা বাড়ির গৃহকর্তা মনির হোসেনকে একটি ঘরে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

এরপর দুষ্কৃতীরা আলমারির চাবি ছিনিয়ে নিয়ে তল্লাশি চালায়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আলমারিতে থাকা কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার (প্রায় ৫ ভরি) এবং কয়েক হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এছাড়াও, পালানোর আগে পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনগুলি নিয়ে যায়, যাতে তারা পুলিশ বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন।

প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই তাণ্ডব চালিয়ে দুষ্কৃতীরা নির্বিঘ্নে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল না থাকায় দুষ্কৃতীরা এমন দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটাতে পারছে। জনবহুল এলাকায় এভাবে সশস্ত্র ডাকাতি হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, যাত্রাপুর থানার ওসি জানান, রাত প্রায় ৩টার সময় খবর পেয়ে এসআই রতন দেবনাথের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। রবিবার সকালে ওসি-র নেতৃত্বে আরও বড় পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত চালায় এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত জোরকদমে চলছে। এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande