
হুগলি, ৮ এপ্রিল (হি.স.): “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, মা সারদার দর্শনে আমরা পথ চলি।” বুধবার শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী তন্ময় ঘোষের সমর্থনে বুধবার সভাস্থলে এ কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমুল দলনেত্রী পৌঁছোনোর আগে থেকেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে শ্রীরামপুর স্টেডিয়াম মাঠে। সেখানে জনসভা থেকে তিনি বলেন, রামকৃষ্ণ-মা সারদার জন্মস্থান এই হুগলি জেলায়। আপনাদের গর্ব করার বিষয়। জয়রামবাটি কামারপুকুরের উন্নয়নের ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তৈরি করেছি।
মাহেশের রথের ব্যাপারে কল্যাণ (সাংসদ) অনেক সাহায্য করেছে। অন্যদিকে ফুরফুরা শরিফ, সেখানেও জাঙ্গিপাড়ায়, চণ্ডিতলায় আমরা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি করে কাজ করছি। ১০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করেছি। তারকেশ্বর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি তৈরি করেছি। তাপসী মালিকের নামে অনেক কিছু করা হয়েছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিজেপির মতো গ্যাসবেলুন পলিটিক্স করি না।” বক্তৃতার সময়ে মমতা জানান, দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে উত্তরপাড়ায় একট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। পরে মঞ্চ থেকে তাঁকে জানানো হয়, ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেটি করা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই মমতা বলেন, “আমি কম বললাম। আমি তো বিজেপির মতো গ্যাসবেলুন পলিটিক্স করি না। তাই কমিয়ে বলব, তা-ও বেশি বাড়িয়ে বলব না।”
চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর কার্নিভাল প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “জানেন তো, যেটা সত্য, সেটা আমি সবসময় স্বীকার করি। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর কার্নিভাল দেখেই আমার দুর্গাপুজোর কার্নিভালের কথা মাথায় আসে।” এর পরেই মমতা বলেন, “সব ভুলে গিয়েছি আমি? কী মা-বোনেরা দুর্গাপুজো রাজ্যে হয় না? পুজো কমিটির অনুদান চলছে, চলবে। আমাদের ওটা জাতীয় উৎসব। সকলের সবটাই জাতীয় উৎসব।”
ডানলপ এবং জেসপের জমি অধিগ্রহণ আটকে থাকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করেছি অধিগ্রহণ করার জন্য। যাতে এখানে কর্মচারীরা সুরক্ষা পান। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬ সাল থেকে ফেলে রেখে দিয়েছে। দশ বছর হল। কেন করেনি যানেন? আমি শুনেছি, ওদের মালিক নাকি বিজেপির খুব ঘনিষ্ঠ।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত