চুড়াইবাড়িতে নিখোঁজ নাবালকের মৃতদেহ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যুতে চাঞ্চল্য
চুড়াইবাড়ি (ত্রিপুরা), ৮ এপ্রিল (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার চুড়াইবাড়ি এলাকায় মানসিক প্রতিবন্ধী নাবালকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে নিখোঁজ হওয়ার পরদিনই পুকুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় এ
মৃতদেহ উদ্ধার


চুড়াইবাড়ি (ত্রিপুরা), ৮ এপ্রিল (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার চুড়াইবাড়ি এলাকায় মানসিক প্রতিবন্ধী নাবালকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে নিখোঁজ হওয়ার পরদিনই পুকুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য।

মৃত নাবালকের নাম বিলাল হোসেন (১৪)। সে আসামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে খবর, গত ৬ এপ্রিল বিকেলে চাঁদপুর ও ইচাইছড়া এলাকার মাঝামাঝি অসম-আগরতলা জাতীয় সড়কের পূর্বদিকে অবস্থিত তাজ উদ্দিনের বাড়িতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসে বিলাল। অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাৎই সে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিস্থিতি গুরুতর বুঝে পরদিন, অর্থাৎ ৭ এপ্রিল, চুড়াইবাড়ি থানায় নিখোঁজ ডাইরি দায়ের করেন বিলালের দাদু আব্দুল লতিফ। এরপর পুলিশ এবং পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় খোঁজ শুরু হয়।

বুধবার সকাল প্রায় ৮টা নাগাদ নবোদয় স্কুল সংলগ্ন জাতীয় সড়কের পূর্ব পাশে একটি পুকুরে ভেসে ওঠা মৃতদেহ দেখতে পান পুকুরের মালিক। তিনি প্রথমে মৃতদেহটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের খবর দেন। মুহূর্তের মধ্যেই ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়।

খবর পেয়ে চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলবে। এরপর মৃতদেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

এদিকে মৃতের দাদু আব্দুল লতিফ গুরুতর অভিযোগ তুলে দাবি করেছেন, যেখান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়েছে সেখানে বিলালের একা যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই ছিল না। তাঁর বক্তব্য, বিলাল মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ায় সে ওই জায়গায় নিজে থেকে যেতে পারে না। ফলে এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande