অসমে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে ভোটগ্ৰহণ, সকাল ৯-টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৭.৮৭ শতাংশ
গুয়াহাটি, ৯ এপ্রিল (হি.স.) : নির্ধারিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও আজ ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাতটা (০৭:০০) থেকে ভোটগ্ৰহণ শুরু হওয়
असम चुनावः गुवाहाटी के एक मतदान केंद्र पर अपनी बारी का इंतजार करते कतार में खड़े मतदाता


গুয়াহাটি, ৯ এপ্রিল (হি.স.) : নির্ধারিত নির্ঘণ্ট অনুযায়ী প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও আজ ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাতটা (০৭:০০) থেকে ভোটগ্ৰহণ শুরু হওয়ার দু-ঘণ্টা পর নয়টা (০৯:০০) পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অসমের ১২৬টি আসনে মোট ভোটদানের হার ১৭.৮৭ শতাংশ।

প্রতিকূল আবহাওয়ার দরুন দু-একটি বুথে এক থেকে আধাঘণ্টা পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে ভোটদান চলছে শান্তিপূর্ণভাবে, জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দফতরের সূত্র। উল্লেখ্য প্রথম দুই ঘণ্টায় মাজুলি জেলায় সর্বাধিক ২০.০৩ শতাংশ এবং সৰ্বনিম্ন কামরূপ মেট্রোয় ১৫.৩৬ শতাংশ (সকাল ৯.৩০ মিনিট পৰ্যন্ত) ভোটদান হয়েছে।

সকাল সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত জেলা-ভিত্তিক ভোটদানের হার যথাক্রমে -

নগাঁও জেলায় ১৮.৩৮ শতাংশ। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটদানের হার যথাক্ৰমে ধিং-এ ১৬.৯০ শতাংশ, রূপহীতে ১৮.২২ শতাংশ, কলিয়াবরে ১৮.৮৭ শতাংশ, সামাগুড়িতে ১৭.৫১ শতাংশ, বঢ়মপুরে ১৬.২৪ শতাংশ, নগাঁও-বটদ্ৰবায় ১৭.৪৯ শতাংশ এবং রহায় ১৭.৮৪ শতাংশ।

তবে সকাল ৯-টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় ভোটদানের হার যথাক্রমে বজালিতে ১৭.৪০ শতাংশ, বাকসায় ১৬.৩৫ শতাংশ, বরপেটায় ১৬.৫৬ শতাংশ, বিশ্বনাথে ১৮.৪২ শতাংশ, বঙাইগাঁওয়ে ১৮.২৩ শতাংশ।

কাছাড় জেলায় ১৮.০৮ শতাংশ, চড়াইদেওয়ে ১৮.৮৮ শতাংশ, চিরাং- ১৬.৬৫ শতাংশ, দরং- ১৯.৭৪ শতাংশ, ধেমাজিতে ১৭.২৯ শতাংশ, ধুবুড়িতে ১৮.১৬ শতাংশ, ডিব্রুগড়ে ১৭.৮৮ শতাংশ, ডিমা হাসাও-এ ১৭.৩১ শতাংশ, গোয়ালপাড়ায় ১৯.৬৬ শতাংশ, গোলাঘাটে ১৮.৫৮ শতাংশ, হাইলাকান্দিতে ১৬.৬০ শতাংশ, হোজাইয়ে ১৯.০৬ শতাংশ, যোরহাটে ১৯.০১ শতাংশ, কামরূপ (গ্রামীণ)-এ ১৮.৮০ শতাংশ, কামরূপ মেট্রোয় ১৫.৩৬ শতাংশ, কার্বি আংলং-এ ১৫.৬০ শতাংশ, কোকরাঝাড়ে ১৬.২৬ শতাংশ, লখিমপুরে ১৭.৩৮ শতাংশ, মাজুলিতে ২০.০৩ শতাংশ, মরিগাঁওয়ে ১৯.৯৬ শতাংশ, নগাঁওয়ে ১৮.৩৮ শতাংশ, নলবাড়িতে ১৬.২৬ শতাংশ, শিবসাগরে ১৮.৩৬ শতাংশ, শোণিতপুরে ১৮.৬৮ শতাংশ, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচরে ১৮.৬৫ শতাংশ, শ্রীভূমিতে ১৮.৩৮ শতাংশ, তামুলপুরে ১৫.৩২ শতাংশ, তিনসুকিয়ায় ১৭.৭৫ শতাংশ, ওদালগুড়িতে ১৭.৩৫ শতাংশ এবং পশ্চিম কার্বি আংলং-এ ১৫.৩৬ শতাংশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande