নির্ভয় ভোটের আবেদনকে স্বাগত, প্রতিবাদীদের উদ্দেশে কটাক্ষ
মৌসুমী সেনগুপ্ত কলকাতা, ৯ এপ্রিল (হি. স.) : “ইসিআই একটি নির্ভয় ও বাধাহীন পরিবেশে স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই বিষয়ে ''জিরো টলারেন্স'' নীতি অনুসরণ করছে।” ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফে সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেছেন অতিরিক্ত
ভোজ


মৌসুমী সেনগুপ্ত

কলকাতা, ৯ এপ্রিল (হি. স.) : “ইসিআই একটি নির্ভয় ও বাধাহীন পরিবেশে স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই বিষয়ে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে।” ভারতের নির্বাচন কমিশনের তরফে সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেছেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগী।

নেটনাগরিকদের একটা বড় অংশ এই আবেদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। প্রতিবাদীদের মন্তব্যের পালটা প্রতিবাদ করেছেন নেটনাগরিকদের অপর একাংশ। কমিশনের এই বক্তব্য পোস্ট করার ছ’ঘন্টা বাদে, বৃহস্পতিবার ভোর চারটায় লাইক হয়েছে ১ হাজার ১০০। মন্তব্য ও শেয়ার হয়েছে যথাক্রমে ১৮১ ও ১৫৮।

সুমন মন্ডল লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ভোট কেন্দ্র স্পর্শকাতর, কোন পুলিশ রিপোর্ট ভরসা করা সঠিক হবে না এটা আমার ব্যক্তিগত মত। নজরদারি সঠিক করুন নিরপেক্ষভাবে ভোট করার ব্যবস্থা করার জন্য ইসিআইকে ধন্যবাদ।” সৌমেন দাস লিখেছেন, “নির্বাচন পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী হিংসা প্রতিরোধ করতেই হবে।”

অভিজিৎ রায় লিখেছেন, “অবিলম্বে যেটা কমিশনের পদক্ষেপ নিতে হবে তা হলো, আধাশহর গ্রামীণ এলাকাতে প্রচুর সংখক গুন্ডা বাহিনী রাজ্য প্রশাসনের মদতে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বলে যাচ্ছে তারা যেন কোনোমতেই ভোট দিতে না যায়। এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যে দলের লোকগুলোকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করতে হবে।”

অরিন্দম মজুমদার লিখেছেন, “ভোট গ্রহণের দিন পাড়ায় পাড়ায় গলিতে গলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল দিতে হবে এবং মানুষকে বাড়ি থেকে বুথ পর্যন্ত পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে”।

রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, “চোটি চাটা পুলিশদের নজরে রাখুন অনুরোধ করছি।” ফারহান আখতার লিখেছেন, “ভয় মুক্ত, বাধা মুক্ত, আর বৈধ ভোটার মুক্ত। এটাই স্বচ্ছ নির্বাচন”। শান্তনু চক্রবর্তী লিখেছেন, “ভোটার মুক্ত নির্বাচন করতে যা যা করতে হয় করুন।”

ইসি-র এই আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে নেটনাগরিকদের একাংশের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন কিছু প্রতিবাদী। নীল আবির নামের একজন লিখেছেন, “আপনারাই বলেছিলেন ‘একটা বৈধ ভোটারও যেন বাদ না যায়’। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল থেকে যদি একজনও বৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য হয় তাহলে তার মতামত ছাড়াই যে নির্বাচন সম্পন্ন করবেন যেখানে কি কোনো স্বচ্ছতা থাকছে? নাকি শুধু শক্তি প্রয়োগ করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে! প্রশ্ন থেকেই যায়।”

এর প্রতিক্রিয়ায় সুদীপ কুমার তালুকদার লিখেছেন, “তার জন্য আইন পরিবর্তন করতে হবে। যেটা পার্লামেন্টের ক্ষমতা আছে। কমিশনের নাই।” সপ্তর্ষি চৌধুরী লিখেছেন, “জাজেরা বাদ দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন কী করবে? লিখতে হয় বলেই লিখে দেন নাকি? বুঝে লিখলে ভালো হয় তো!”

কৃষাণু মজুমদার লিখেছেন, “টিভিতে বিজ্ঞাপন দিতে হবে।” প্রতিক্রিয়ায় এক ব্যক্তি লিখেছেন, “দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন চ্যানেলে ক্রমাগত সম্প্রচারিত হচ্ছে। চোখে পড়েনা সেগুলো?”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande