এগরার স্ট্রং রুমের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা, পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে তৃণমূলের বিক্ষোভ
এগরা, ১ মে ( হি. স.) : পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার ঝাটুলাল হাই স্কুলে তৈরি স্ট্রং রুমের সামনে শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ হঠাৎ উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সহায়তায় পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থীকে স্ট্রং রুমের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা
এগরার স্ট্রং রুমের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা, পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে তৃণমূলের বিক্ষোভ


এগরা, ১ মে ( হি. স.) : পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার ঝাটুলাল হাই স্কুলে তৈরি স্ট্রং রুমের সামনে শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ হঠাৎ উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সহায়তায় পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থীকে স্ট্রং রুমের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এর ফলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় স্কুল চত্বর।

তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এগরা থানার আইসি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় নিয়ম লঙ্ঘন করে পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতিকে স্ট্রং রুমের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পটাশপুরের তৃণমূল প্রার্থী পীযূষকান্তি পণ্ডার নেতৃত্বে কয়েকশো তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক স্ট্রং রুম চত্বরে পৌঁছে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভকারীরা আইসি-কে অপসারণের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এই পরিস্থিতির জেরে স্ট্রং রুমের আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি সেখানে পৌঁছান এগরার মহকুমা শাসক মনজিৎ যাদব এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভ থামার বদলে আরও বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের দাবি, ভোট গণনার আগে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতি বলেন যে, তৃণমূল কর্মীরা অকারণে হাঙ্গামা করছে এবং এটি তাদের নিছকই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। বর্তমানে ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি কড়া নজরে রাখা হচ্ছে যাতে নতুন করে কোনো অশান্তি না ঘটে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande