হঠাৎ বৃষ্টিতে ধানের জমিতে জল, বিপাকে কৃষকরা
কলকাতা, ১ মে (হি. স.): হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে বিপাকে পড়লেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষকরা। মূলত বিপাকে ধানচাষিরা। মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা পাকা ধান থেকে শুরু করে কাটা ধান — ফসল তোলার মরসুমে সবই এখন ক্ষতির মুখে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড়-বৃষ্টির
পাকা ধানের জমিতে


কলকাতা, ১ মে (হি. স.): হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে বিপাকে পড়লেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষকরা। মূলত বিপাকে ধানচাষিরা। মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা পাকা ধান থেকে শুরু করে কাটা ধান — ফসল তোলার মরসুমে সবই এখন ক্ষতির মুখে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড়-বৃষ্টির জেরে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধানখেতে জল জমে পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। জেলার পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, নামখানা, সাগর, কুলপি, মথুরাপুর, মন্দিরবাজার, উস্তি ও মগরাহাট সহ একাধিক ব্লকে বিঘার পর বিঘা জমিতে এখনও পাকা ধান পড়ে রয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় চারভাগের মধ্যে তিনভাগ জমির ধান এখনও কাটা হয়নি। অন্যদিকে, যাঁরা ধান কেটে জমিতে শুইয়ে রেখেছিলেন, তাঁরাও এখন দুশ্চিন্তায় — কারণ সেই ধান এখনও ঘরে তুলতে পারেননি।​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির জেরে ধানগাছের গোড়ায় জল জমে যাওয়ায় দ্রুত ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চাষিদের আশঙ্কা, দ্রুত ধান কাটা ও ঘরে তোলা না গেলে মাটিতে ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। কৃষি विशेषज्ञों মতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যেসব জমিতে ধান কেটে শুইয়ে রাখা হয়েছে, সেগুলি দ্রুত নিরাপদ স্থানে তুলে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যেসব জমিতে এখনও ধান কাটা হয়নি এবং জল জমে রয়েছে, সেখানে নিকাশির মাধ্যমে জল বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনোলজি ম্যানেজার জয়দীপ পাল জানান, “হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির ফলে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় পাকা ধান ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত মাঠ থেকে ধান তুলে না আনলে চাষিদের বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে।” অতর্কিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইতিমধ্যেই দিশেহারা চাষিরা। এখন তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব মাঠ থেকে ধান তুলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande