১৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন, ২২ জুন পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ
কলকাতা, ১৫ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হতে চলেছে আগামী ২২ জুন। শুক্রবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে নবনির্বাচিত অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে, আগামী ১৮ জুন থেকে এই বাজে
মুখ্যমন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ১৫ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হতে চলেছে আগামী ২২ জুন। শুক্রবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে নবনির্বাচিত অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে, আগামী ১৮ জুন থেকে এই বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এদিনই তিনি বিধানসভার অধ্যক্ষ হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং কক্ষের কাজ পরিচালনার রূপরেখা স্পষ্ট করেন।

২২ জুন পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের দিনক্ষণ নির্ধারিত হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার খুব শীঘ্রই রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারে। এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন তৃণমূল সরকারের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বা 'ভোট অন অ্যাকাউন্ট' পেশ করেছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে তখন পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা সম্ভব হয়নি। এপ্রিল মাসের নির্বাচন এবং ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এখন সেই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে।

মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে ইতিমধ্যে প্রতিটি দফতরের সচিবদের বাজেট প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। অর্থ দফতপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মতে, এই বাজেট মূলত নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলির ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হচ্ছে। রাজ্যের নিজস্ব কর রাজস্ব বাড়ানোর জন্য বিকল্প আয়ের উৎস খোঁজা, সাত লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিশাল ঋণের বোঝা কমানোর কৌশল নির্ধারণ এবং পরিকল্পনাবহির্ভূত খাতের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা এই বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হতে চলেছে।

একইসঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে মূলধনী ব্যয় বা ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার বৃদ্ধিতেও বিশেষ জোর দেবে নতুন সরকার। বর্তমানে রাজ্য রাজকোষ যে গুরুতর আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, তাকে সামলে নিয়ে নতুন সরকার কীভাবে একটি জনমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট পেশ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্যের মানুষ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande