মধ্যপ্রদেশে তাপপ্রবাহের দাপট, ৩৭ টি জেলায় সতর্কতা জারি
ভোপাল, ১৬ মে (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশে তীব্র গরমে নাজেহাল জনজীবন। রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ১২টি শহরে তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে পৌঁছেছে। আবহাওয়া দফতর শনিবারের জন্য রাজ্যের ৩৭টি জেলায় তাপপ্রবাহের সত
মধ্যপ্রদেশে তাপপ্রবাহের দাপট, ৩৭ টি জেলায় সতর্কতা জারি


ভোপাল, ১৬ মে (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশে তীব্র গরমে নাজেহাল জনজীবন। রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ১২টি শহরে তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে পৌঁছেছে। আবহাওয়া দফতর শনিবারের জন্য রাজ্যের ৩৭টি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে। ইন্দোর, উজ্জ্বয়িনী ও মণ্ডলায় ‘ওয়ার্ম নাইট’-এর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। অর্থাৎ রাতের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। ইন্দোর, উজ্জ্বয়িনী, রতলাম, ধার ও দেবাস জেলায় তীব্র লুয়ের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভোপাল, গোয়ালিয়র, মোরেনা, ভিন্দ, শিবপুরী, গুনা, বিদিশা, রাইসেন, নর্মদাপুরম, খাণ্ডওয়া, খারগোন, বড়ওয়ানি, মন্দসৌর, ঝাবুয়া, সাগর, দামোহ ও মণ্ডলা-সহ একাধিক জেলায় গরম হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস। তবে জব্বলপুর, রেওয়া, সাতনা, কাটনি, উমরিয়া, বালাঘাট ও ছিন্দওয়াড়ার মতো জেলায় তাপমাত্রা বেশি থাকলেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা নেই।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্যের কয়েকটি জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তনও দেখা যায়। কাটনিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। উমরিয়ায় বৃষ্টি ও ঝড়ে ক্রয়কেন্দ্রে রাখা গম ভিজে যায়। সাগর, জব্বলপুর, বিদিশা, রাইসেন ও পান্নাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

এদিন শাজাপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, খারগোনে ৪৪.২ ডিগ্রি এবং রতলাম ও নওগাঁওয়ে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যের বড় শহরগুলির মধ্যে ভোপালে ৪২.৮ ডিগ্রি, ইন্দোরে ৪১.৮ ডিগ্রি, গোয়ালিয়রে ৪০.৯ ডিগ্রি, উজ্জ্বয়িনীতে ৪২.৫ ডিগ্রি এবং জব্বলপুরে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে গরমের প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকবে। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে। আগামী চারদিন অর্থাৎ ১৬ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় তীব্র গরম অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande