সরকারে থাকাই একমাত্র লক্ষ্য নয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করাই বিজেপি-র প্রধান কাজ : অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ
আগরতলা, ১৯ মে (হি.স.) : সরকার পরিচালনা করাই বিজেপি-র একমাত্র লক্ষ্য নয়; সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলাই দলের মূল উদ্দেশ্য। মঙ্গলবার রাজধানী আগরতলায় নতুননগর স্কুলে বিজেপি-র বড়জলা মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পণ
মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়


আগরতলা, ১৯ মে (হি.স.) : সরকার পরিচালনা করাই বিজেপি-র একমাত্র লক্ষ্য নয়; সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলাই দলের মূল উদ্দেশ্য। মঙ্গলবার রাজধানী আগরতলায় নতুননগর স্কুলে বিজেপি-র বড়জলা মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় মহাপ্রশিক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অন্তর্গত মণ্ডল প্রশিক্ষণ বর্গের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়।

সারা দেশের পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও বিজেপি-র সাংগঠনিক কর্মসূচি ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় মহাপ্রশিক্ষণ অভিযান-২০২৬’ জোরকদমে চলছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল দলের পদাধিকারী, বুথ সভাপতি এবং শক্তিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের আদর্শগত, সাংগঠনিক ও প্রশাসনিকভাবে আরও দক্ষ করে তোলা, যাতে তাঁরা সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুফল সমাজের অন্তিম স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

মঙ্গলবারের প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর তথা মেয়র-ইন-কাউন্সিল জগদীশ দাস সহ বিজেপি-র একাধিক নেতৃবৃন্দ।

প্রশিক্ষণ বর্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “সংগঠন মানেই কার্যকর্তাদের শক্তিশালী করা। কার্যকর্তারা যত বেশি দক্ষ ও সুসংগঠিত হবেন, দল তত শক্তিশালী হবে। দল শক্তিশালী হলে সরকারও আরও কার্যকরভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে।”

তিনি আরও বলেন, বিজেপি-র রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি হল পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’ ভাবনা—সমাজের সর্বশেষ প্রান্তে থাকা মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সেই আদর্শকে সামনে রেখেই এই প্রশিক্ষণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী কার্যকর্তাদের উদ্দেশে প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করার আহ্বান জানান।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রণজিৎ সিংহ রায় বলেন, “সরকারে থাকাটাই কোনও রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না। প্রকৃত লক্ষ্য হল একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা, যেখানে প্রত্যেক কার্যকর্তা জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকবেন।”

বড়জলা মণ্ডলের এই প্রশিক্ষণ বর্গে মণ্ডল কমিটির পদাধিকারী, বিভিন্ন বুথের সভাপতি এবং শক্তিকেন্দ্রের ইনচার্জরা অংশগ্রহণ করেন। সারাদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে সাংগঠনিক কাঠামো, আদর্শ, জনসংযোগ কৌশল এবং সরকারি প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যকর্তাদের দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ বাড়ানোর পাশাপাশি সংগঠনকে আরও সুসংহত করবে এবং সরকার ও জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande