
গুয়াহাটি, ২৬ মে (হি.স.) : ‘আসাম ফিশারি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’ (এএফডিসিএল)-এর তহবিল আত্মসাৎ মামলায় দুই আসাম সিভিল সার্ভিস (এসিএস) আধিকারিক সহ মোট আটজন সরকারি আধিকারিক এবং কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাজ্যের ‘ডিরেক্টরেট অব ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অন্টি-করাপশন’-এর এক বিবৃতিতে এ খবর দিয়ে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালে দায়েরকৃত এক মামলায় গুয়াহাটি, নলবাড়ি জেলার বেলশর, ধুবড়ি জেলার গৌরীপুর এবং নগাঁও জেলার রহার একাধিক স্থানে তালাশি অভিযান চালানো হয়। মামলাটি আসাম ফিশারি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের সরকারি তহবিল আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে জড়িত।
অভিযানে দুর্নীতি দমনের আধিকারিকরা এএফডিসিএল-এর প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর অনুরাধা অধিকারী শর্মা এবং নরেনচন্দ্র বসুমতারিকে গ্রেফতার করেন। বসুমতারি বর্তমানে রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দফতরে যুগ্মসচিব পদে কর্মরত। এছাড়া এএফডিসিএল-এর দুই প্রাক্তন এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জ্যোতিষ শইকিয়া এবং বিরিঞ্চি অধিকারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
কেবল এঁরাই নয় এছাড়া এএফডিসিএল-এর প্রাক্তন কর্মচারী জ্যোতিপ্রসাদ শইকিয়া, সাবুরউদ্দিন আহমেদ, ভগীরথ দাস এবং রবীন্দ্র নারায়ণ ডেকাকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আটক করেছেন ‘ডিরেক্টরেট অব ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অন্টি-করাপশন’-এর আধিকারিকরা।
‘ডিরেক্টরেট অব ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অন্টি-করাপশন’-এর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মামলাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এখনও অব্যাহত।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কয়েকদিন আগে আরেকটি পৃথক দুর্নীতি মামলায় এসিএস আধিকারিক লাচিতকুমার দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই মামলায় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ১.৬৬ কোটি টাকা নগদ এবং ৮৬ লক্ষ টাকার স্থায়ী আমানতের নথি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস