শহীদ জওয়ানের মরদেহ পৌঁছাতেই শোকস্তব্ধ আরামবাগের শীতলপুর
হুগলি , ২৬ মে (হি.স.) : ওড়িশায় কর্তব্যরত অবস্থায় সিআরপিএফ জওয়ান রাকেশ রায়ের অকাল মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আরামবাগের শীতলপুর গ্রামে। মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ গ্রামে পৌঁছাতেই আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় মানুষের ভিড়ে ভারাক্রান্ত
উড়িষ্যাতে শহীদ আরামবাগের রাকেশ


হুগলি , ২৬ মে (হি.স.) : ওড়িশায় কর্তব্যরত অবস্থায় সিআরপিএফ জওয়ান রাকেশ রায়ের অকাল মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আরামবাগের শীতলপুর গ্রামে। মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ গ্রামে পৌঁছাতেই আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় মানুষের ভিড়ে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।জানা গিয়েছে, আরামবাগের আরান্ডি অঞ্চলের শীতলপুর গ্রামের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী রাকেশ রায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ)-এ কর্মরত ছিলেন। কর্তব্যরত অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুসংবাদ গ্রামে পৌঁছাতেই পরিবার-পরিজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়।মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ গ্রামে আনা হলে শেষবারের মতো প্রিয় সন্তানের মুখ দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি গ্রামের বাসিন্দারাও। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত হয়ে প্রয়াত জওয়ানকে শ্রদ্ধা জানান।গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাকেশ ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও পরিশ্রমী ছিলেন। দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করায় তাঁকে নিয়ে গোটা গ্রামের গর্ব ছিল। তাঁর অকাল প্রয়াণে শুধু পরিবার নয়, সমগ্র এলাকার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের প্রস্তুতির মধ্যেই শীতলপুর গ্রাম তাদের বীর সন্তানকে শেষ বিদায় জানায়। দেশের সেবায় নিয়োজিত এক তরুণ জওয়ানের এভাবে চলে যাওয়ায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande